
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পশ্চিম সুমাত্রার আঞ্চলিক দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র ইলহাম ওহাব শুক্রবার রাতে বলেছেন, ‘আজ রাত পর্যন্ত ৬১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। আরও ৯০ জনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।’ এর আগে প্রদেশটিতে মৃতের সংখ্যা ২৩ জন বলা হয়েছিল।
এছাড়া উত্তর সুমাত্রায় আরও ১১৬ জন এবং আচেহ প্রদেশে অন্তত ৩৫ জন মারা গেছেন বলে সংস্থার প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে। বিএনবিপি ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেন, আজ (শুক্রবার) পর্যন্ত আমরা ১১৬ জনের মৃত্যু তথ্য নিশ্চিত করছি। এছাড়া এখনও ৪২ জনের নিখোঁজ থাকার খবর পেয়েছি। প্রতিকূলআবহাওয়ার কারণে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জাকার্তা গ্লোব জানিয়েছে, স্থল ও আকাশ পথে উদ্ধারকারী দলগুলো কাজ করছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও প্রতিবেশী মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডেও টানা ভারি বৃষ্টিতে সাম্প্রতিক সময়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র প্রভাবে সৃষ্ট প্রচণ্ড প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১২৩ জনে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া আরও ১৩০ জন নিখোঁজ রয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থা বিভাগের (ডিএমসি) বরাতে শনিবার (২৯ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।
গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে দ্বীপদেশটির ওপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড়টি। দেশটির আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ শ্রীলঙ্কা থেকে সরে এসে উত্তরে প্রতিবেশী ভারতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। কিন্তু এর আগে দেশটিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এটি।
খোরশেদ/২৯ নভেম্বর ২০২৫,/বিকাল ৩:২০






