ব্রেকিং নিউজ
যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য : মির্জা ফখরুল শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সওয়াল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর সেনা হেফাজতে এক সপ্তাহে বিশ্বে তেলের দাম বাড়ল ১২ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করতে চীনের নতুন ‘এআই জোট’ দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

অবৈধ সম্পদে উপার্জিত অর্থ ব্যবহার করা যাবে?

Ayesha Siddika | আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৫ - ০৫:৫৮:১৮ পিএম

ডেস্ক নিউজ : প্রশ্ন: কেউ যদি চুরি করা টাকা বা অবৈধ টাকা দিয়ে রিকশা কিনে তা ভাড়ায় বা নিজে চালায় এবং টাকা ইনকাম করে সেটা কি হারাম? ওই টাকা দিয়ে যদি বৃক্ষ রোপন করে তাহলে সেই বৃক্ষের ফলও কি হারাম? 

উত্তর: অবৈধ সম্পদ দুই প্রকার। 

১. প্রথম প্রকার

আল্লাহর হুকুম অমান্য করে অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদ। যেমন সুদের কারবার করে গড়া সম্পদ, মদ বিক্রি করা সম্পদ, নাচ-গান করে উপার্জিত সম্পদ, দেহ ব্যবসা করে প্রাপ্ত সম্পদ, জুয়াবাজি থেকে প্রাপ্ত সম্পদ।

২. দ্বিতীয় প্রকার

বান্দার হক নষ্ট করে গড়া সম্পদ। যেমন ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, জবরদখল করে বানানো সম্পদ।

প্রথম প্রকারের হারাম সম্পদ দিয়ে রিকশা ক্রয় করে ওই রিকসা চালিয়ে উপার্জন করলে উপার্জিত সম্পদ সম্পর্কে ওলামাদের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। 

আল্লামা ইবনে তাইমিয়াহসহ আরবের অনেক আলেমদের মত হল- এই হারাম রিকশা কিংবা হারাম সম্পদের পেছনে মেহনত করে উপার্জিত মুনাফা ভোগ করা যাবে। কেননা এই মুনাফা অর্জনের পেছনে রয়েছে তার শ্রম সময় ও মেধা। তাই এই মুনাফা সেই ভোগ করতে পারবে। 

আর মূল পুঁজি হিসেবে যেই হারাম সম্পদ কাজে লাগিয়েছিল সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে নিজের মালিকানা থেকে বের করে সওয়াবের নিয়ত ছাড়া সদাকা করে দেবে। যদিও সাবধানতা এবং তাকওয়ার মাসআলা হল এখান থেকে উপার্জিত সম্পদও ভোগ না করা।

দ্বিতীয় প্রকারের সম্পদ কাজে লাগিয়ে মুনাফা অর্জন করলে মূল পুঁজি ও মুনাফা উভয়টাই মালিকের কাছে ফেরত দিতে হবে। অবশ্য তার শ্রমের বিনিময় মালিকের কাছ থেকে কিছু চেয়ে নেওয়া অসঙ্গত হবে না। 

যেমন কারো জমি জবরদখল করল এরপরে সময় অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে চাষাবাদ করলো জমিনে ফসল হলো।

এখানে মূল মাসআলা হল, জমিন এবং ফসল সবটাই মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া। তবে নিজের থেকে যেটুকু অর্থ বের করেছে এবং যা শ্রম দিয়েছে সেটুকু মালিকের কাছ থেকে চেয়ে নিতে অসুবিধে নেই।

আপনার প্রশ্নের বর্ণিত রিকশা এবং বৃক্ষ যদি প্রথম প্রকারের হারাম মাল হয়ে থাকে তাহলে ওই বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত ফল এবং রিকশা চালিয়ে অর্জিত ধন ভোগ করা যেতে পারে।

আর যদি এই রিকশা চুরি করে আনা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে রিকশা এবং তার মাধ্যমে উপার্জিত টাকা সবই মালিকের কাছে ফেরত দিবে। অবশেষে রিকশা চালানোর জন্য নিজের পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু চেয়ে নেবে।

 

 

আয়শা/৩১ জুলাই ২০২৫,/বিকাল ৫:৫৫

▎সর্বশেষ

ad