ব্রেকিং নিউজ
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ ও গার্ড কমান্ডার পাকপুর নিহতের দাবি আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত

বেরোবি প্রক্টরের চেয়ারে শাড়ি-চুড়ি রেখে তোপের মুখে সমন্বয়করা

Anima Rakhi | আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৫ - ১১:৫৬:১৪ এএম

ডেস্ক নিউজ : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরের চেয়ারে শাড়ি-চুড়ি রাখায় তোপের মুখে পড়েছে সমন্বয়করা।

রোববার (২০ জুলাই) বিকাল ৫টায় আশিক, সুমন, আরমান, বাংলাদেশ গঠনতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) রংপুর মহানগর সদস্য সচিব হাজিমুল হক ও রংপুর জেলা কমিটির মুখপাত্র রুম্মানুল ইসলাম রাজ প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার চেয়ারে শাড়ি-চুড়ি রাখেন।

তাদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও ছাত্রদল ও শিবির প্রকাশ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তবে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শওকাত আলী বলেন, ‘তাদের সাথে (শাড়ি-চুড়ি প্রদান করা শিক্ষার্থী) আমার ৫টায় বসার কথা ছিল। ছাত্র রাজনীতির ব্যাপারে তাদের সাথে কথা বলার আগেই তারা শিক্ষকদের অবমাননা করছে। তারা যে অভিযোগ তুলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি হচ্ছে কিন্তু সেটি কোথায়। এখন কেউ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে রাজনীতি করে সেটা কি আমরা দেখব। ৭৫ একরে রাজনীতি নিষিদ্ধ। এখানে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই রাজনীতি বন্ধ করি। আমাকে কেউ বলেনি, ওদের আগেই আমি সিন্ডিকেটে বিষয়টি তুলি। রাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি করায় এর আগে আমি কমিটি গঠন করি৷ সেখানে কয়েকজনকে শোকজ দেওয়া হয়। আমরা কাজ করছি।’

এদিকে শিক্ষকদের অবমাননা করায় প্রতিবাদ করেছে বেরোবি শাখা ছাত্রদল। এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল আমিন বলেন, ‘গুটি কয়েক নামধারী সমন্বয়ক সাধারণ শিক্ষার্থীর নাম ব্যবহার করে শিক্ষকদের অবমাননা করেছে। শুধু তাই নয়, তারা আমাদের মা-বোনদেরও অবমাননা করেছে। এই ধরনের অবমাননা কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী মেনে নিবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের দোসরা রয়ে গেছে। তা নাহলে ১৬ জুলাই কঠোর নিরাপত্তা থাকা স্বত্বেও কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখে। এগুলোর পিছনে নামধারী সমন্বয়করা আছে।

কিউটিভি/অনিমা/২১ জুলাই ২০২৫,/সকাল ১১:৫৬

▎সর্বশেষ

ad