লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একাধিক স্থাপনায় ইসরাইলের হামলা

Ayesha Siddika | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৪ - ১০:২৮:১৪ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লেবাননের সরকারি গণমাধ্যম ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানায়, সীমান্তের রাস নাকুরা এলাকায় শান্তিরক্ষী বাহিনীর একটি ওয়াচ টাওয়ারে আঘাত হেনেছে ইসরাইল। এরপর ইউএনআইএফআইএল-এর একজন মুখপাত্র বলেন, ‘তিনটি অবস্থানে হামলা চালানো হয়েছে এবং দুই শান্তিরক্ষী আহত হয়েছেন।’

এদিকে দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর দুই কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের একজন আহমেদ মুস্তাফা আলহাজ আলী। তাদের দাবি, তিনি উত্তর ইসরাইলের খায়রাত শমোনা শহরে হাজারো রকেট ও ট্যাংক ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জন্য দায়ী। হামলায় নিহত আরেক কমান্ডার মুহাম্মাদ আলী হামদান। তিনি উত্তর ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য দায়ী বলে দাবি করা হয়েছে।
 
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পূর্ব লেবাননের বেকা উপত্যকায় অবস্থিত কারাকের একটি আবাসিক এলাকায় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান আঘাত করেছে। এতে চারজন নিহত ও ১৭ জন আহত হয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই হামলায় বিস্ফোরণস্থল থেকে ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত ভবনের জানালাগুলো তছনছ হয়ে গেছে।
 
গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এর এক সপ্তাহ পর ১ অক্টোবর স্থল অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। ইসরাইলের দাবি, তারা হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে এসব হামলা চালাচ্ছে। তবে হামলায় বেসামরিক স্থাপনাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হতাহত হচ্ছে নিরস্ত্র ও সাধারণ মানুষ।

ইসরাইলের হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩২৩ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩ হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ১২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। লেবাননে হামলার মধ্যে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বর্বর আক্রমণ আরও বেড়েছে। হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪২ হাজার ছাঁড়িয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ। উদ্বাস্তু হয়েছেন ২০ লাখের বেশি।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১০ অক্টোবর ২০২৪,/রাত ১০:২৫

 
▎সর্বশেষ

ad