সুরা ফালাকের উচ্চারণসহ ফজিলত ও পড়ার নিয়ম

Ayesha Siddika | আপডেট: ১১ জুন ২০২৪ - ০৬:১৫:৩০ পিএম

ডেস্ক নিউজ : সুরা ফালাকে আল্লাহ তা‘আলা কিছু দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন আমাদেরকে। সেই দোয়াগুলো আমরা ব্যক্তিগত দোয়ার সময়ও পড়তে পারি। এজন্য এ সুরা মুখস্থ থাকলে ও অর্থ জানা থাকলে সুবিধা হয়।

সুরা ফালাকقُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِ. 

مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَ.
وَ مِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ.
وَ مِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الۡعُقَدِ.
وَ مِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ.

রা ফালাকের উচ্চারণ

১) কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক

২) মিন শাররি মা-খালাক।
৩) ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব।
৪) ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ।
৫) ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।
 

সুরা ফালাকের অর্থ

১) বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
৩) অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪) গ্রন্থিতে ফুৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
৫) এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
  

সুরা ফালাকের ফজিলত

 

সাধারণত যেকোনো বিপদ-আপদ থেকে আল্লাহর কাছে নিরাপদ আশ্রয় চাওয়ার জন্য এই সুরা এবং এর পরের সুরা নাসের আমল সুন্নত। মহানবী (সা.)ও বিপদে-আপদে ও অসুস্থতায় এই দুটো সুরার ওপর আমল করতেন। তার ক্ষতি করার জন্য তাকে জাদু করে রশিতে ১১টি গিঁট দেয়া হয়েছিল। এই দুটি সুরার ১১টি আয়াত পড়ে সেই ১১টি গিঁট খোলা হয়।
 

সুরা ফালাকের আমল

হজরত উকবা বিন আমির (রা.) বলেন, ‘রসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।’

 
হজরত উকবা বিন আমির (রা.) বর্ণনা করেন, ‘একবার রসুলুল্লাহ (সা.) তাকে বলেন, ‘উকবা বিন আমির, আমি কি তোমাকে এমন কয়েকটি সুরা শেখাব, যেগুলোর মতো সুরা তাওরাত, জবুর, ইঞ্জিল, এমনকি কোরআনেও আর নাজিল হয়নি? প্রতি রাতেই তুমি এই সুরাগুলো অবশ্যই পড়বে। সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক আর সুরা নাস।’

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১১ জুন ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:১২

▎সর্বশেষ

ad