ব্রেকিং নিউজ
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ ও গার্ড কমান্ডার পাকপুর নিহতের দাবি আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত

অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকিতে ইতালির ৩০ লাখ মানুষ

uploader3 | আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০২৩ - ০৩:৫৮:৪২ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকিতে পড়েছে ইতালির ১৮টি অঞ্চলের প্রায় ৩০ লাখ বাসিন্দা। 

শুক্রবার দেশটির নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এই মুহূর্তে ইতালির সবচেয়ে বিপজ্জনক ঝুঁকি হচ্ছে ক্যাম্পি ফ্লেগ্রেই নামের আগ্নেয়গিরি, যার কিছু অংশ প্রায় উদগিরণের সহনসীমা অতিক্রমের পথে রয়েছে।

এর আগে এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রলয়ংকরী পরিস্থিতির জন্ম দেওয়া ভিসুভিয়াসের চেয়ে কম পরিচিত ক্যাম্পি ফ্লেগ্রেই আগ্নেয়গিরিটি। কিন্তু গবেষণার সহ-লেখক স্টেফানো কার্লিনো বলেন, এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।

সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, আগ্নেয়গিরিটির বিস্তৃতি প্রায় ২০০ কিলোমিটার। নেপলস উপসাগরের তলদেশে এর অবস্থান বলে চিহ্নিত হয়েছে।

নেপলস এমন একাধিক আগ্নেয়গিরির স্থান যেগুলো গত ৩৯ বছর ধরে সক্রিয় রয়েছে।

প্রায় দুই হাজার বছর আগে পম্পেই নগরীকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলেছিল ভিসুভিয়াস। সে তুলনায় বিস্তৃত ক্যাম্পি ফ্লেগ্রেইর হাজার বছরের ইতিহাস সাদামাটা। সর্বশেষ ১৫৩৮ সালে এর পেট থেকে লাভা, ছাই ও শিলা উদগীরণ হয়েছিল।

গবেষকরা বলছেন, ক্যাম্পি ফ্লেগ্রেই পুরোপুরি হালকাভাবে নেওয়ার মতো নয়। ৩০ হাজার বছর আগে এর অগ্ন্যুৎপাতের সঙ্গে নিয়ান্ডারথাল মানুষের বিলুপ্তির সম্পর্ক রয়েছে। হাজার হাজার বছরের সুপ্ত এই আগ্নেয়গিরিটি পুনরায় জেগে উঠতে পারে।

ইতালির নেপলস অঞ্চলে প্রায় ৩০ লাখ লোকের বসবাস। হিসাব-নিকাশ করে এ অঞ্চলের প্রায় ১৮টি এলাকাকে ইতালির সিভিল প্রোটেকশন এজেন্সি রেড জোন বা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সূত্র: সিএনএন

কিউটিভি/অনিমা/১১ নভেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৩:৫৮

▎সর্বশেষ

ad