জনসমাগমে যাওয়ার ইসলামী শিষ্টাচার

Ayesha Siddika | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৩ - ০৭:৫৪:০৬ পিএম

ডেস্ক নিউজ : মানুষ যেহেতু সামাজিক প্রাণী, তাই তাকে অবশ্যই জনসমাগমে যেতে হয়। অফিস-আদালত, সামাজিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে উপস্থিত হতে হয়। প্রতিদিন পাঁচ বেলা নামাজে গেলেও মানুষকে ছোটখাটো জনসমাগমের মধ্যে থাকতে হয়। ইসলামের দৃষ্টিতে জনসমাগমে যাওয়ার কিছু আদব রয়েছে।

মিসওয়াক করা : মিসওয়াক নবীদের সুন্নত। কোনো লোকসমাগমে উপস্থিত হওয়ার আগে মিসওয়াক করে নেওয়া উচিত, যাতে মুখের দুর্গন্ধে অন্যরা কষ্ট না পায় এবং দাঁতের ময়লার কারণে অন্যের কাছে লজ্জিত হতে না হয়। তা ছাড়া মিসওয়াকের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়।

 

মুখের দুর্গন্ধে যাতে অন্যের কষ্ট না হয়, এ জন্য কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে মসজিদে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

গোসল করা : গুরুত্বপূর্ণ কোনো অনুষ্ঠান বা জনসমাগমে যাওয়ার আগেই গোসল করে নেওয়া উত্তম। এ জন্যই ইসলামে জুমার দিন, ঈদের দিন ইত্যাদিতে মসজিদ/ঈদগাহে যাওয়ার আগে গোসল করা সুন্নত করা হয়েছে। সালিম (রহ.) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি জুমার নামাজে আসে সে যেন গোসল করে আসে। (তিরমিজি, হাদিস : ৪৯২)

এর কারণ হলো, মানুষের দেহের দুর্গন্ধে যেন জনসমাগমে উপস্থিত অন্যরা কষ্ট না পায়।

সুগন্ধি ব্যবহার করা : জনসমাগমে যাওয়ার সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা উত্তম।

অন্যান্য জনসমাগমে গেলেও যাতে নিজের শরীরের গন্ধে অন্যদের কষ্ট না হয়, এ জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা যেতে পারে।

পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা : আবু জার (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন উত্তমরূপে গোসল করে, উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে, তার উত্কৃষ্ট পোশাক পরিধান করে এবং আল্লাহ তার পরিবারের জন্য যে সুগন্ধির ব্যবস্থা করেছেন, তা শরীরে লাগায়, এরপর জুমার সালাতে এসে অনর্থক আচরণ না করে এবং দুজনের মাঝে ফাঁক করে অগ্রসর না হয়, তার এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১০৯৭)

এই হাদিস দ্বারা বোঝা যায়, কোনো লোকসমাগমে যাওয়ার সময় পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করে যাওয়া উত্তম।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২১ অগাস্ট ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৫০

▎সর্বশেষ

ad