বাংলাদেশে হিফজ প্রতিযোগিতার প্রচলন যেভাবে

Ayesha Siddika | আপডেট: ২০ মে ২০২৩ - ০৬:২৯:৩০ পিএম

ডেস্ক নিউজ : আসমানি গ্রন্থগুলোর মধ্যে অমর, অবিনশ্বর ও চিরন্তন অলৌকিকতায় পূর্ণ আল কোরআন সর্বকালে মানুষকে কল্যাণের অফুরন্ত ধারায় সিক্ত করেছে; সত্যান্বেষীদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। বিশ্বজনীন এ গ্রন্থের আবেদন ও উপযোগিতা সব যুগে এবং সব স্থানে কার্যকর আছে। কোরআনের শিক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে মুসলমানরা পৃথিবীকে একটি উন্নত সভ্যতা উপহার দিয়েছে।

অন্যদিকে কোরআনের হাফেজরা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের ধারক। হাফেজদের অন্তরে কোরআন সংরক্ষণ আল্লাহর মহা কুদরতের বহিঃপ্রকাশ। কুদরতি নিয়মে হাজার বছর ধরে অত্যন্ত বিস্ময়কর প্রক্রিয়ায় এ গ্রন্থকে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লিখে রাখার পাশাপাশি হাজার বছর ধরে হৃদয় থেকে হৃদয়ে একে ধারণ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোরআনের লাখো হাফেজ বা মুখস্থকারী রয়েছেন। মানব ইতিহাসে আর কোনো গ্রন্থের এত হাফেজ নেই।

এ ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে সবিশেষ ভূমিকা পালন করেছে দেশের বৃহৎ ও বিখ্যাত কওমি মাদরাসা আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া, পটিয়া, চট্টগ্রাম। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে পরিচালিত হয় ‘বাংলাদেশ তাহফিজুল কোরআন সংস্থা’। এটি একটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণমূলক সংস্থা।

স্বল্প সময়ে পবিত্র কোরআন হিফজ করার জন্য শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে তাজবিদ তথা বিশুদ্ধ পাঠভিত্তিক হিফজ শিক্ষার সম্প্রসারণ ও পবিত্র কোরআনের সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের ছড়ানো-ছিটানো হিফজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুসংগঠিত করে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দেশের বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শক্রমে ১৩৯৬ হিজরি মোতাবেক ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে ‘বাংলাদেশ তাহফিজুল কোরআন সংস্থা’ আত্মপ্রকাশ করে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২০ মে ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:২৪

▎সর্বশেষ

ad