ব্রেকিং নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে মন্দিরে আগুন ও প্রতিমা ভাঙচুর

Anima Rakhi | আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২২ - ০১:০১:৫৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় একটি শিব ও মনসা প্রতিমা ভাংচুর করে মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। 

সোমবার (৮ আগষ্ট) দিনগত আনুমানিক রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের নাওডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় হিন্দু জনগোষ্ঠির লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানিয়েছেন ফুলবাড়ী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) ফজলুর রহমান।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নাওডাঙ্গা গ্রামের রতিকান্ত রায়ের বাড়ির উঠানের মন্দিরে শিব ও মনসা মূর্তি রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এ মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করে মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মন্দিরের ৪০ শতাংশ আগুনে পুড়ে গেছে। 

এ প্রসঙ্গে রতিকান্ত চন্দ্র রায় জানান, তার প্রতিবেশি গোলবার রহমান, মাইদুল ইসলাম ও বাদল চন্দ্র রায় রাতে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে মন্দিরে আগুন জ্বলে উঠার ঘটনা জানান। তিনি স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা নিয়ে মন্দিরের আগুন নেভান। তবে কারা প্রতিমা ভাংচুর ও মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে সেটা দেখেননি বলেও জানান তিনি। 

রতিকান্ত আরও জানান, আমার বাবা ও দাদা এই মন্দিরে পূজা করতেন। আমার বাবার মৃত্যুর পর আমিই এই মন্দিরে পুজার্চনা করে আসছি। 

প্রতিবেশি গোলবার রহমান জানান, রাত আড়াইটার দিকে মন্দিরে আগুন জ্বলতে দেখতে রতিকান্তকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন তিনি। পরে সবাই মিলে মন্দিরের আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

ফুলবাড়ী উপজেলার পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাত্তিক চন্দ্র রায় বলেন, “প্রতিমা বাংচুর করে মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তারা আতংকিত হয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রতন রায় বলেন, “প্রতিমা ভাংচুর ও মন্দিরের আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা তাদের জন্য হুমকি। দুর্বৃত্তরা হিন্দুদের মাঝে আতংক সৃষ্টি করতে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। বিচার না পেলে প্রয়োজনে আন্দোলন করা হবে।”

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার অফিসার (ওসি) ফজলুর রহমান জানান, ঘটনাটি শুনে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমন দাস জানান, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিউটিভি/অনিমা/১০.০৮.২০২২/দুপুর ১.০১

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

▎সর্বশেষ

ad