ব্রেকিং নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী

রংপুরে কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৬ জুন ২০২২ - ০৪:১৯:৪৫ পিএম

ডেস্ক নিউজ : রংপুরে খামারিরা কোরবানির উপযুক্ত গরু-ছাগল প্রস্তুত করছেন। ভারত থেকে গরু না এলে এবার এই বিভাগের খামারি ও গৃহস্থরা লাভবান হবেন। ভালো দামের আশায় খামারিরা কোরবানির বাজার ধরার জন্য এসব পশু যত্ন সহকারে লালন-পালন করছেন। রংপুর প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির পশু বিক্রির উদ্দেশ্যে এই বিভাগের আট জেলায় দেড় লাখের বেশি খামারি প্রায় ৫ লাখের বেশি গরু বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য প্রস্তুত  করেছেন। এছাড়া ২ লাখের ওপর গৃহস্থ প্রায় ৯ লাখ গরু-খাসি বাজারে বিক্রি করার জন্য তৈরি করেছেন।

এর মধ্যে রংপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৩ হাজার খামারে দুই লাখের ওপর গরু রয়েছে। গতবছর কোরবানি ঈদ উপলক্ষে ১৩ লাখ গরু-খাসি প্রস্তুত থাকলে চাহিদা মিটিয়ে আড়াই লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত ছিল। এবার ১৩ লাখ ৬৫ হাজার গর-খাসি কোরবানির উপযুক্ত রয়েছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, রংপুর বিভাগের আট জেলায় গত বছর পশু কোরবানি হয়েছে ১০ লাখের কিছু ওপরে। এবছর এই বিভাগে কোরবানির উপযুক্ত গরু-খাসি প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১৩ লাখ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ছাগল ও ভেড়া রয়েছে আড়াই লাখের ওপর। চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৩ লাখের মত গরু-খাসি উদ্বৃত্ত থাকবে। এসব পশু এই বিভাগের চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য স্থানে সরবরাহ করা হবে। কোরবানিতে দেশি জাতের ও শংকর জাতের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় খামারিরা এ ধরনের গরু স্বাস্থ্য সম্মতভাবে মোটাতাজাকরণ শুরু করেছেন কয়েক মাস আগে থেকে।

হারাগাছের মাহামুদুল হাসান ডন, প্রিন্সসহ বেশ কয়েকজন খামারি জানান, তারা কোরবানি উপলক্ষে গরু প্রস্তুত করেছেন কোরবানি হাটে বিক্রি করার জন্য। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভারতীয় গরু প্রবেশ না করলে এবার ভাল দাম পাওয়া যাবে। রংপুর প্রাণিসম্পদ বিভাগীয় অফিসের উপ-পরিচালক ডা. সিরাজুল ইসলাম জানান, গত বছরের চেয়ে এবার ৫ শতাংশ বেশি কোরবানির পশু গরু-খাসি রয়েছে। তাই এই অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য স্থানে পাঠাতে পারবে খামারি ও গৃহস্থরা।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১৬.০৬.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/৪:১৮

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

▎সর্বশেষ

ad