মনিরুল ইসলাম মনি : শার্শা(যশোর)সংবাদদাতা : যশোরের শার্শায় চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। গত ২০ দিনে ডেঙ্গু নিয়ে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে ৬২ জন রোগী। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৮ জন । বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৪ জন। বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গ রোগের প্রার্দূভাব বেড়ে গেছে। যে কারনে সাধারন ভাবে জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে অনেকে। তার মধ্যে সব বয়সের পুরুষ, মহিলা, শিশু, কিশোর রয়েছে। রক্ত পরিক্ষা করে দেখা যাচ্ছে জ্বর নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেশির ভাগই ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ হাসপাতাল। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এ হাসপাতালে ডেঙ্গসহ বিভিন্ন মারাত্বক রোগে আক্রান্ত প্রায় ৭০/৮০ জন রোগী চিকিৎসার জন্য ভর্তি রয়েছে। যে কারনে অতিরিক্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে ডাক্তাররা হিমশিম খাচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে মাত্র ৮জন এমবিবিএস ডাক্তার রয়েছে।
পর্যায় ক্রমে তারা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে। প্রতিদিন শত শত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসতে দেখা যায়। নাভারন হাসপাতালে অনেকে তাদের প্রকৃত চিকিৎসা না পেয়ে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কারন শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নাভারন হাসপাতালে কোন মেডিসিন, শিশু ও কনসালটেন্ট ডাক্তার নেই। এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার তৌফিক পারভেজ জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে রোগীদের চাপ বেশি। তার মধ্যে বেশি ভাগ ডেঙ্গু রোগী।
তিনি বলেন জনসংখার দিক দিয়ে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ হাসপাতাল হলেও রোগীর তুলনায় ডাক্তার সংকট রয়েছে। তিনি বলেন দ্রুত এ হাসপাতালে মেডিসিন, শিশু ও কনসালটেন্ট ডাক্তার প্রয়োজন। ডেঙ্গু রোগীদের ব্যাপারে তিনি বলেন গত ২০ দিনে নাভারন হাসপাতালে প্রায় ৬২জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। তার মধ্যে ৪৮ জন রোগী হাসপাতালের ফ্রি ঔষধ খেয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। এখনও প্রায় ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানান।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার তৌফিক পারভেজ বলেন ডেঙ্গু রোগ থেকে বাঁচতে হলে সরাইকে অধিক সচেতন হতে হবে। তার মধ্যে ঘুমানোর সময় সর্বদা মসারি ব্যবহার করতে হবে। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। বাহিরে বের হলে ফুল হাতা শার্ট পরতে হবে। জ্বর হলে দ্রত হাপাতালে ভর্তি হতে হবে। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের সহায়তায় নাভারন হাসপাতালে সম্পূর্ণ ফ্রি- ভাবে সরকারী ঔষধে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা করানো হচ্ছে।
আয়শা/২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:৪৩
