সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিনে কনকচাঁপার আবেগঘন বার্তা

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ০৬:৩২:২৮ পিএম

বিনোদন ডেস্ক : সংগীতজগতের জনপ্রিয় কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিন ছিল শুক্রবার। তার এই বিশেষ দিনে ভক্ত-অনুরাগী থেকে শুরু করে সংগীতাঙ্গনের সহকর্মীরা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় ভাসিয়ে তুলেছেন। কালজয়ী এ সংগীতশিল্পীর জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন একটি বার্তা দিয়েছেন আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা।  শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ৭২ বছরে পূর্ণ করে ৭৩ বছরে পা রাখা কিংবদন্তি কোকিলকণ্ঠীকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে সেই বার্তা দিয়েছেন তিনি।

১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমার ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার প্লেব্যাক দেওয়া শুরু হয়। দীর্ঘ এই বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন তিনি। তার এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিল্পীকে ১৯৮৪ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে রেকর্ডসংখ্যকবার শ্রেষ্ঠ নারী সংগীতশিল্পীর সম্মাননা পেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। 

সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক পেজে কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন গায়িকা কনকচাঁপা। সেখানে তিনি সাবিনা ইয়াসমিনকে শুধু একজন সংগীতশিল্পী হিসেবেই নয়, একটি ‘ইনস্টিটিউট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে কনকচাঁপা লিখেছেন— ‘সাবিনা ইয়াসমিন। একটি নাম, একটি ইনস্টিটিউট।’ কিংবদন্তি এ শিল্পীর সুরের জাদুকে স্মরণ করতে গিয়ে লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সাঈদের একটি স্মৃতিচারণ তুলে ধরেন কনকচাঁপা।
সেখানে তিনি বলেন, বহু বছর আগে এক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে আবদুল্লাহ আবু সাঈদ দর্শকদের প্রশ্ন করেছিলেন— কোকিল কখন গায়? দর্শকরা উত্তর দিয়েছিলেন— ‘বসন্তে’। এরপর তিনি জানতে চান, সারা বছর সুর ছড়িয়ে মাতিয়ে রাখে কোন পাখি? দর্শকদের উত্তরের অপেক্ষায় না থেকে তিনি নিজেই বলেছিলেন— সারা বছর গানে মাতিয়ে রাখা সেই পাখিটি আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন।

আবদুল্লাহ আবু সাঈদের সেই কথার সূত্র ধরে কনকচাঁপা বলেন, সাবিনা ইয়াসমিন শুধু সারা বছর নয়, বাংলাদেশের মানুষকে সারাজীবন গানে ডুবিয়ে, ভাসিয়ে ও উজ্জীবিত করে রেখেছেন। একই সঙ্গে পরিণত বয়সেও কীভাবে তিনি নিজের কণ্ঠের জাদু একই রকম ধরে রেখেছেন, তা গবেষণার বিষয় বলেও মন্তব্য করেন এ সংগীতশিল্পী।

তিনি বলেন, ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’— এই তিনটি কালজয়ী গান ছাড়া তিনি যদি আর কোনো গান নাও গাইতেন, তবু তিনি আজ যেমন ‘মধুকণ্ঠী কোকিল’ নামে অভিহিত হয়ে গেছেন, ঠিক তেমনই থাকতেন। 

 

 

আয়শা/০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:৩০

▎সর্বশেষ

ad