ব্রেকিং নিউজ
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপি’র বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপিন্সের ৪ পাইলট নিহত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে মিথ্যাচার করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী গাজীপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কৃতজ্ঞতা হুমকিতে ব্যাংক-সরকারি পোর্টালে সাইবার হামলার আশংকা, উচ্চ সতর্কতা জারি প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে জাপানে থাকবেন না রাষ্ট্রদূত শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হওয়ায় আইজিপিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের ধন্যবাদ

সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি বাতিল করা যাবে না: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে স্বস্তিতে পাকিস্তান

Ayesha Siddika | আপডেট: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১১:৩০:২৯ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহাসিক সিন্ধু নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে একটি বড় রায় দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত। রায়ে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তি স্থগিত বা বাতিল করার কোনো ক্ষমতা ভারতের নেই। চুক্তির আগের সব নিয়মকানুন এখনো আগের মতোই বহাল রয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্ত প্রকাশের পরপরই পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে আদালতের প্রতি ধন্যবাদ ও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

আদালতের প্যানেল সর্বসম্মতিক্রমে নির্দেশ দিয়েছেন যে দুই দেশের এই চুক্তি বাতিল তো দূরে থাক, চাইলে এককভাবে স্থগিতও করা যাবে না। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী চুক্তিটি পুরোপুরি সচল রয়েছে। এর ফলে পশ্চিমের নদীগুলোতে নতুন যেকোনো বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করা বা যেকোনো সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে ভারত বাধ্য থাকবে।

এ ছাড়াও রায়ে ভারত সরকারের ওপর একটি বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ২০২৭ সালের জুলাই মাসে বিশেষজ্ঞের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ভারতে বাস্তবায়নাধীন ‘আরএইচইপি’ বাঁধের দেয়াল এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান কাঠামোর একটি নির্দিষ্ট উচ্চতার ওপরে আর কোনো কনক্রিটের ঢালাই বা নির্মাণকাজ চালানো যাবে না। বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তের পরেও এই নিষেধাজ্ঞা আরও ৯০ দিন বহাল থাকবে। সেই সঙ্গে এই প্রকল্পের কাজ কত দূর এগোল, সে বিষয়ে আদালতকে নিয়মিত প্রতিবেদনও জমা দিতে হবে।

আন্তর্জাতিক আদালতের এই আদেশ ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞাকে নিজেদের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, রায়ের পুরো বিবরণ প্রকাশ হওয়ার পর তা গভীরভাবে পরীক্ষা করা হবে। পাকিস্তান আশা করছে, এই রায়ের মাধ্যমে দুই দেশের আইনি বাধ্যবাধকতা আবার জোরদার হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।

 

 

আয়শা/০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/রাত ১১:৩০

▎সর্বশেষ

ad