আমলাতন্ত্রের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যুরোক্রেসি প্রয়োজন। তবে এর সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। টেকনোক্র্যাটদের কাজের জায়গায় তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব দিতে হবে, যাতে আমলাতন্ত্র ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় দ্বন্দ্ব তৈরি না হয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে মেধাতন্ত্রের জায়গা সংকুচিত হচ্ছে, অন্যদিকে ‘মবোক্রেসি’ বাড়ছে। মবোক্রেসি বাড়তে দেওয়া যাবে না। আইনের শাসন ও নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হলে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন সম্ভব নয়।
দেশে গবেষণার পরিসর বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে রিজভী বলেন, চিকিৎসা, প্রযুক্তি, পদার্থবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞানসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। উচ্চতর ডিগ্রিধারী বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজে লাগানোর নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
রিজভী আরও বলেন, দেশের বাইরে থাকা উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে এনে উন্নয়ন ও উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে। এ ধরনের উদ্যোগ অতীতেও নেওয়া হয়েছিল। দেশের নিজস্ব প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের মেধা কাজে লাগিয়ে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদাহরণও রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে তৈরি হওয়া মেধাবীদের অলস বসিয়ে রাখলে দেশের কোনো কাজে আসবে না। রাষ্ট্রকে পরিকল্পিতভাবে এই মানবসম্পদ কাজে লাগাতে হবে।
সম্মেলনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের সভাপতি প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম রিজুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল, এ্যাবের আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন), সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাকিল আহমেদ ইকবালসহ দেশের বিভিন্ন প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
