স্পোর্টস ডেস্ক : মাত্র ১৮ বছর বয়সেই স্প্যানিশ তারকা ফুটবলার লামিন ইয়ামাল এক প্রকার আইকন হয়ে উঠেছেন। যিনি ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জেতার পর প্রথমবারের মতো তার স্প্যানিশ দলকে ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন।
যখন তিনি ক্লাব (বার্সেলোনা) বা দেশের হয়ে গোল করেন, তখন এই তরুণ তার দুই হাত আড়াআড়ি করে রাখেন এবং তারপর একটি নির্দিষ্ট ভঙ্গিতে আঙুল ঘুরিয়ে ‘৩০৪’ সংখ্যাটি বানান।
কিন্তু এর পেছনের গভীর অর্থটা কী?
আসলে ব্যাপারটা বেশ সহজ: এগুলো হলো রোকাফোন্দা পাড়ায় ইয়ামালের শৈশবের পোস্টকোডের শেষ তিনটি সংখ্যা। পুরো পোস্টকোডটি হলো ০৮৩০৪ – যা কাতালুনিয়ার মাতারো অঞ্চলে অবস্থিত।
ইয়ামাল, যিনি এই গ্রীষ্মের বিশ্বকাপ জুড়ে একটি ছোটখাটো চোট নিয়ে খেলছিলেন, তার জন্ম আসলে এসপ্লুগেস দে ইয়োব্রেগাতে, কিন্তু এর কিছুদিন পরেই তার পরিবার রোকাফোন্দায় চলে আসে। রোকাফোন্দা থেকে বার্সেলোনার বিখ্যাত যুব একাডেমি, লা মাসিয়া, ট্রেনে যেতে ৯০ মিনিট সময় লাগে, যেখানে ইয়ামাল সাত বছর বয়স থেকে তার অপ্রতিরোধ্য নৈপুণ্যকে শাণিত করেছেন।
মাঠে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা নিবেদন অবশ্য ‘৩০৪’-এ শেষ হয় না, কারণ এই বিশ্বজয়ী উইঙ্গার (জন্ম নাম লামিন ইয়ামাল নাসরাউই এবানা) যখনই জুতো পরেন, তখনই তার বাবা-মাকে সম্মান জানান। তার বাবা মুনির নাসরাউই মরক্কোর অধিবাসী, আর মা শিলা এবানা এসেছেন ইকুয়েটোরিয়াল গিনি থেকে।
ইয়ামালের বিশেষভাবে তৈরি এফ৫০ অ্যাডিডাস ফুটবল বুটগুলোতে শুধু ‘৩৪’ সংখ্যাটিই নয়, মরক্কো এবং ইকুয়েটোরিয়াল গিনি উভয়ের পতাকাও খোদাই করা আছে। এখানে উল্লেখ্য, গোল করার পর ৩০৪ দেখানোর পরই তিনি মাঠে পশ্চিম দিকে ফিরে আল্লাহকে সিজদা করে কৃতজ্ঞতা জানান।
আয়শা/১৭ জুলাই ২০২৬,/দুপুর ২:৩৩
