আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কিয়েভের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন শত শত বিক্ষোভকারী। বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরানোর প্রতিবাদে স্লোগান দেন তারা। একই ধরনের প্রতিবাদ হয়েছে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি শহরে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ যুদ্ধের এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জনপ্রিয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে ‘বড় ধরনের ভুল’ করেছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেন মিখাইলো ফেদোরভ। এর পরই দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ, ড্রোনভিত্তিক যুদ্ধকৌশল, প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক সংস্কার এবং অস্ত্র সংগ্রহ ব্যবস্থায় পরিবর্তনের জন্য ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান তিনি। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের ড্রোন সক্ষমতা বাড়ানো এবং ক্রিমিয়ায় সাম্প্রতিক অভিযানের পেছনেও তার মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ফেদোরভ জানান, সেনাপ্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফকে বদলানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। তবে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব তীব্র হয়। যদিও জেলেনস্কি তা স্বীকার করে বলছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেনারেল স্টাফের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সমন্বয়হীনতা চলছিল।
তবে জনগণের প্রতিক্রিয়া এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখছেন বলে জানান প্রেসিডেন্ট। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য মতবিরোধ কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের কৌশল ও নেতৃত্ব নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
আয়শা/১৭ জুলাই ২০২৬,/দুপুর ২:২৪
