
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি সংবেদনশীল ও জটিল।’তিনি আরও বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর উচিত পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়া থেকে বিরত থাকা এবং প্রণালীটি দিয়ে স্বাভাবিক চলাচল পুনরায় শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি করা’।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র জানায় যে তারা একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটিকে আটক করেছে, যেটি ইরানের বন্দরগুলোতে তাদের অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করেছিল। ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, জাহাজটি চীন থেকে আসছিল এবং তারা এটিকে ‘মার্কিন সামরিক বাহিনীর সশস্ত্র জলদস্যুতা’ আখ্যা দিয়ে এর প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার করেছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ওমান উপসাগরে ‘তুসকা’ নামের ওই ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজটি জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। ট্রুথ সোশ্যালে নিজেই এ তথ্য জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। জাহাজটি মার্কিন নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করলে হামলা চালানো হয় বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে, রোববার রাতে ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট-কর্নেল ইব্রাহিম যুলফাগারি, মার্কিন নৌবাহিনীর এই অপরাধমূলক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছেন।
যুলফাগারি বলেন, ‘আগ্রাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওমান সাগরের জলসীমায় একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়ে এবং জাহাজটির ‘ডেকে’ তাদের বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী মেরিন সেনাকে নামিয়ে এর নেভিগেশন ব্যবস্থা অচল করে দিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ও সামুদ্রিক জলদস্যুতা করেছে।’
‘আমরা সতর্ক করছি যে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দ্রুত এই সশস্ত্র দস্যুতা এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রতিশোধমূলক হামলার জবাব দেবে।’ আরও যোগ করেন যুলফাগারি।
সূত্র: আল জাজিরা
আয়শা/২০ এপ্রিল ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৫৫






