স্পোর্টস ডেস্ক : ৭ এপ্রিল। দুপুরে পূর্বাচলে গেলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বিকালে মিরপুরে ফিরে দেখেন তিনি আর বিসিবির সভাপতি নন। সন্ধ্যায় তার চেয়ারে বসেন তামিম ইকবাল। ১৮ এপ্রিল। পূর্বাচলে তামিম। ১২ দিনের ব্যবধানে বিসিবির দুই সভাপতির পূর্বাচলে স্টেডিয়ামের জন্য নির্ধারিত স্থান দেখতে গেলেন। শনিবার তামিম শোনালেন নতুন সম্ভাবনার কথা।
এদিকে স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শুধু আলোচনা চলছে। দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। ক্ষমতা পরিবর্তনের সঙ্গে পূর্বাচল স্টেডিয়াম নিয়ে পরিকল্পনায়ও পরিবর্তন হয়। উইকেট তৈরি হলেও মূল অবকাঠামোর কাজ এখনো শুরু হয়নি। এবার সেই স্থবিরতা কাটানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক বাংলাদেশ। তার আগে ২০২৭ ওয়ানডে এশিয়া কাপের আয়োজকও হতে পারে দেশটি। এ দুটি বড় টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা পূর্বাচল প্রকল্পে নতুন করে গতি আনার উদ্যোগ নিয়েছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
কাল পূর্বাচলে প্রস্তাবিত স্টেডিয়াম নির্মাণের স্থান পরিদর্শন শেষে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা বিসিবি সভাপতি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সিনিয়র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা পুরো বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করছি। ২০২৭ এশিয়া কাপ এবং ২০৩১ বিশ্বকাপে যৌথ আয়োজক হওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেটি মাথায় রেখে প্রথম ধাপে ক্রিকেট বোর্ড কার্যক্রম শুরু করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় যা কিছু করণীয়, আমরা পরিকল্পিতভাবে তা এগিয়ে নিতে চাই, যাতে এই প্রকল্প নিয়ে আর কোনো বিভ্রান্তি বা জটিলতা না থাকে। পাশাপাশি এখানে মাল্টিপারপাস স্পোর্টস সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।’
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ‘এটি একটি বড় প্রকল্প। ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্য খেলাগুলোও এখানে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্রিকেট বোর্ড আর্থিকভাবে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী, তাই অন্যান্য খেলাধুলার উন্নয়নেও আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। সেই চিন্তা থেকে এই প্রকল্পে বিভিন্ন স্পোর্টস যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।’
আয়শা/১৯ এপ্রিল ২০২৬,/বিকাল ৩:৩৩