
ডেস্ক নিউজ : রোববার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিরোধী দলের এ এমপি বলেন, পরিতাপের বিষয় নির্বাচনের ফল প্রকাশের ১ মাস গত হতে চললেও এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো আহ্বান জানানো হয়নি। বিএনপি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি, যা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি জুলাই সনদে বিশ্বাসী কি-না, গণ-অভ্যুত্থানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কি-না, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করে নতুন এক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরী হয়েছে।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার ফল। কিন্তু গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না বিএনপি। তারা জন-আকাঙ্ক্ষা মানছে না। তবে আমরা বিশ্বাস করি সব, জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিএনপি সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে। ইমোশন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে মাসুদ সাঈদী বলেন, জুলাই আবেগ হিসেবে দেখে খাটো করার সুযোগ নেই।
জুলাই আইনও না, অধ্যাদেশও না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন কথার জবাবে বিরোধী দলের এ এমপি বলেন, সংবিধানের ১৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সব অধ্যাদেশই আইন। সুতরাং এই মন্তব্য দায়িত্বশীল মন্তব্য হয়নি। এ সময় মাসুদ সাঈদী স্মরণ করিয়ে দেন, দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ২০২৪ সালের রিপোর্টে বলেছে, আওয়ামী লীগের সব প্রকল্পে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ অর্থ দলটির এমপি-মন্ত্রীরা নিয়েছেন।
আয়শা/১৫ মার্চ ২০২৬,/বিকাল ৫:০৮






