
ডেস্ক নিউজ : চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে মুদ্রানীতি বিবৃতি (এমপিএস) ঘোষণা করা হবে। এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভায় এর অনুমোদন দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য বলছে, এই মুদ্রানীতিতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী কিংবা আমানতকারীদের জন্য দৃশ্যমান কোনও স্বস্তির বার্তা থাকছে না।
নতুন নীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে একমাত্র অগ্রাধিকার ধরে রেখে আগের মতোই কঠোর বা সংকোচনমূলক অবস্থান বহাল রাখা হচ্ছে। ফলে নীতিগত সুদহার বা পলিসি রেপো রেট ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত থাকছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, মূল্যস্ফীতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে। কাগজে-কলমে সামান্য কমার আভাস মিললেও বাস্তবে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমেনি। একসময় দুই অঙ্কে থাকা সার্বিক মূল্যস্ফীতি অক্টোবরে নেমে আসে ৮.১৭ শতাংশে। কিন্তু নভেম্বর ও ডিসেম্বরে তা আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৮.২৯ ও ৮.৪৯ শতাংশে। খাদ্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং উৎপাদন কাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এই চাপ দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।
বিশেষ করে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি এখনো ৯ শতাংশের বেশি, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বড় চাপ হয়ে আছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক সুদহার কমানোর ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
এর আগে গত ৩১ জুলাই চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তখন জানানো হয়, মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে নামলেই প্রধান নীতি সুদহার কমানো হবে।
অনিমা/২৯ জানুয়ারী ২০২৬,/সকাল ১০:৪০






