ব্রেকিং নিউজ
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ ও গার্ড কমান্ডার পাকপুর নিহতের দাবি আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত

বগুড়ায় ছাত্র আন্দোলনে গুলি, হাসিনাসহ ৪৭২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৫ - ১০:৪৭:২৮ পিএম

ডেস্ক নিউজ : বগুড়ায় গত বছরের ৩ আগস্ট দুপুরে শহরের বড়গোলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা চালিয়ে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ১৭২ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৭২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বগুড়া শহরের নাটাইপাড়ার মিজানুর রহমানের ছেলে ও সরকারি আজিজুল হক কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মো. আরাফ বুধবার সদর থানায় এ মামলা করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর থানার ওসি হাসান বাসির এ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, সাবেক এমপি সুরাইয়া নিগার সুলতানা ডরথী, শাহাজাদী আলম লিপি, মহিলা লীগ নেত্রী বিলাসী রানী, স্বপ্না চৌধুরী, সাবেক এমপি খাদিজা খাতুন শেফালী, সুমি শাহ, সাবেরাত ইসলাম মুন্নি, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশু, সেক্রেটারি ডা. শাফি মোহায়মের, সদস্য ডা. লোকমান হোসেন জুয়েল, যুব মহিলা লীগের রূপালী আক্তার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন, সারিয়াকান্দির আওয়ামী লীগ নেতা রাজু ওরফে এসি রাজু, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফি নেওয়াজ খান রবিন, সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মতিন সরকার, তার ভাই সোহাগ সরকার, ওমর সরকার, তুফান সরকার, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মহিদুল ইসলাম জয়, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মান্নান আকন্দ, জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু, সাবেক কাউন্সিলর ইব্রাহিম হোসেন, যুবলীগ নেতা জাকারিয়া আদিল, সাবেক কাউন্সিলর মোস্তাকিম রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক সুলতান মাহমুদ খান রনি, ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সার্জিস আহমেদ টিপু, ছাত্রলীগ নেত্রী আসমাউল হোসনা, জেলা কৃষক লীগ সভাপতি আলমগীর হোসেন বাদশা প্রমুখ।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট দুপুরে শহরের বড়গোলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিল করছিলেন। এ সময় শেখ হাসিনাসহ প্রধান ১০ জন আসামির নির্দেশে অন্যরা রড, কাঠের বাটাম, হকিস্টিক, চাপাতি, ককটেল, বন্ধুকসহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। কয়েকজন আসামি মিছিল লক্ষ্য করে এলোপাতাড়িভাবে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি করেন।

অন্য আসামিরা গুলি করলে বাদীর (মো. আরাফ) শরীরে ৪৩টি গুলিবিদ্ধ হয়। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিলে দুজন চিকিৎসক আসামি তাকে বের করেন দেন। পরবর্তীতে শহরের চেলোপাড়ায় সরকার ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হওয়ার পর বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এদিকে এ মামলার ব্যাপারে বগুড়া সদর থানার ওসি হাসান বাসিরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি শুধু মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এছাড়া তিনি এ মামলা সংক্রান্ত কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

 

 

আয়শা/২৪ অক্টোবর ২০২৫,/রাত ১০:৩৩

▎সর্বশেষ

ad