ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লক্ষীছড়ি সেনাবাহিনীর উদ্যােগে মানবিক সহায়তা প্রদান।

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৫ - ০৮:২৩:২২ পিএম

শান্তা ইসলাম নেত্রকোণা প্রতিনিধি : নেত্রকোণায় ভাবিকে গলা কেটে হত্যার দায়ে মো. রাসেল মিয়া (২৮) নামে একজনকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ হাফিজুর রহমান এই দণ্ডাদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মো. রাসেল মিয়া নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে। হত্যাকান্ডের শিকার লিপি আক্তার জারিয়া গ্রামের আফতাব উদ্দিন সরকারের মেয়ে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি রাসেল মিয়া নিহত লিপি আক্তারের চাচাতো দেবর হয়। তারা একই বাড়িতে পাশাপাশি ঘরে বসবাস করতেন। নিহত লিপি আক্তারের স্বামী মো. আজিজুল ইসলাম বিজিবিতে চাকুরী করার সুবাদে পঞ্চগড়ে বসবাস করতেন। নিহতের স্বামী বাড়িতে না থাকার সুবাদে আসামি রাসেল মিয়া লিপি আক্তারকে, বাড়িতে এবং রাস্তাঘাটে সুযোগ পেলেই প্রেম নিবেদন করে ও কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিল। উত্যক্ত করার একপর্যায়ে লিপি আক্তার তার স্বামী মোঃ আজিজুল ইসলাম, আসামি রাসেল মিয়ার বাবা-মার কাছে ঘটনাটি জানায়।

এরই জের ধরে আসামি রাসেল মিয়া ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর লিপি আক্তারের বসত ঘরে রাতের অন্ধকারে কৌশলে প্রবেশ করে। এবং তার সাথে থাকা ধারালো এন্টিকাটার দিয়ে লিপি আক্তারের গলার শ্বাসনালী কেটে তাকে হত্যা করে। পরদিন ৫ অক্টোবর নিহতের বোন ফেরদৌসী বেগম বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় রাসেল মিয়াকে আসামী করে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  পরবর্তীতে আসামি নিজেও আদালতে দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে।

দন্ডবিধির ৩০২ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামির উপস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। মামলায় মোট ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্র পক্ষে আইনজীবী ছিলেন (পিপি) আবুল হাসেম।

 

 

আয়শা/২৪ জুলাই ২০২৫,/রাত ৮:১৫

▎সর্বশেষ

ad