ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গোয়াইনঘাট হাওরে পানি সংকট, দুশ্চিন্তায় কৃষক

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৫ - ০৫:১৯:৩৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : দীর্ঘদিন ধরে অনাবৃষ্টি ও খরায় খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ায় পানির অভাবে সিলেটের গোয়াইনঘাটের কৃষি জমিতে ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

উপজেলার হাওর এবং মাঠের পর মাঠ বোরো জমি ফেটে চৌচির। ফলে ধান বিবর্ণ রঙ ধারণ করে শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, বৃষ্টি হলে এ সমস্যা কেটে যাবে।

জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার চাষিরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে বোরো ধান চাষ করেছেন। ফলন ভালো হয়ে ফসলের মাঠ সবুজের সমারোহে ভরে উঠায় তারা আশায় বুক বাঁধেন। কিন্তু হঠাৎ তাদের হাসিমুখে দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ। টানা খরা ও অনাবৃষ্টিতে হাওরে ও মাঠে রোপায়িত বোরো ধানের জমি শুকিয়ে গেছে। চাষীরা সেচের পানি দিতে পারছেন না। 

কৃষকদের অভিযোগ, ধান রোপণের আগে বিলের ইজারাদার হাওরের বিল-নদী শুকিয়ে মাছ মারার কারণে পানির সংকট তৈরি হয়েছে। এতে ধানে থোড় আসার আগ মুহূর্তে ক্ষেতের জমিতে পানি না থাকায় ধান বিবর্ণ রং ধারণ করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন কৃষক ফসল রক্ষায় ৩ থেকে ৪ হাজার ফুট দূর থেকে পাইপের মাধ্যমে জমিতে সেচ দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সমস্যার কথা জানান তারা। উপজেলাজুড়ে চাষীদের মধ্যে পানি নিয়ে চলছে এক রকম হাহাকার।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ হাজার ১৫ হেক্টর। তা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ৩৪ হেক্টর জমি। উপজেলা কৃষি অফিসার রায়হান পারভেজ রনি জানান, আবহাওয়া অফিস শিগগিরই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। বৃষ্টি হলে এ সমস্যা আর থাকবে না। 

তিনি বলেন, বর্তমান সমস্যা বিদ্যমান থাকলে রোপায়িত বোরো ধানের বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাঙ্খিত উৎপাদন ব্যাহত হবে। রোগবালাইয়ের আক্রমণ বাড়বে। 

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০৬ মার্চ ২০২৫,/বিকাল ৫:১৫

▎সর্বশেষ

ad