ব্রেকিং নিউজ
ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য : মির্জা ফখরুল

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী হত্যা

Anima Rakhi | আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০২৪ - ০৩:৫২:১১ পিএম

ডেস্ক নিউজ : চট্টগ্রামে আদালত প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বিকাল ৪টার দিকে সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কারাগারে পাঠানোর সময় তাঁকে হত্যা করা হয়। 

নিহত সাইফুল চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম জালাল উদ্দিন। সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা সাইফুলকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘চট্টগ্রামের আদালতে সংঘর্ষের ঘটনায় হতাহত ৬-৭ জন চমেক হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।’
 
সাইফুল ইসলাম আফিফের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সাইফুল ইসলাম শিক্ষানবিশ আইনজীবী ছিলেন।’

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে চিন্ময় কৃষ্ণকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ষষ্ঠ আদালতের বিচারক কাজী শরিফুল ইসলামের আদালত আনা হয়। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত। তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তবে কারাগারে নিতে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তুললে আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকার বেশ কয়েকটি স্থাপনা ভাঙচুর করে তারা। ঘটনার পর ওই এলাকার পরিস্থিতি থমথমে হয়ে ওঠে।

সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২৬ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চমেকে এখন ছয়জন চিকিৎসাধীন। এছাড়া চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ১৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি স্থাপনা ভাঙচুর চালায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। আহতদের সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

কিউটিভি/অনিমা/২৭ নভেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৩:৫২

▎সর্বশেষ

ad