ফিটনেস ঠিক রাখতে সুন্নাহসম্মত ৪ টিপস

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৪ - ১১:৪৩:৩৬ পিএম

ডেস্ক নিউজ : মুফতি আবদুল্লাহ তামিম সপ্তাহে দুই দিন রোজা রাখা

রোজা শুধু আত্মিক উন্নতির মাধ্যম নয়, বরং শরীরের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন। উম্মতি মুহাম্মদিকেও রোজা রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। সুপারিশ করেছেন। এটি সপ্তাহে দুটি রোজার মাধ্যমে আমাদের ক্যালোরি গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হয়। রোজা রাখা শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ বিপাকের সহায়তা করে।

পরিমিত আহার

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন ‘আদম সন্তান এমন কোনো পাত্র পূর্ণ করে না, যা তার পেট থেকে খারাপ।’ এ কথার দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, খাবার খেতে হবে পরিমিতভাবে। সুস্থ খাবারের মধ্য দিয়ে শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিতে হবে। পরিমিত আহার করা অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বাঁচায়। আমাদের কর্মক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হয়।

নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম বা পরিশ্রম

শারীরিক কর্মকাণ্ড রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাহাবাদের অনেকেই যোদ্ধা ও কায়িক পরিশ্রমিক ছিলেন। তাদের উদাহরণ আমাদের শারীরিক সুস্থতায় সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম, সাঁতার, হাঁটা বা শারীরিক হালাল খেলাধুলা আমাদের দেহকে শক্তিশালী ও মনকে সতেজ রাখে।

শরীর ও মনের যত্ন

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই একজন মুমিনের জীবন কেবলমাত্র ভালো কাজের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়। এ হাদিস আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সুন্নাহর নির্দেশনা মেনে চলা আমাদের জীবনকে দীর্ঘায়ু ও সফল করে তোলে। নিজেকে সুস্থ রাখা, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, পরিবারে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং একটি সামগ্রিক স্বাস্থ্য সচেতন জীবন যাপন আমাদের জীবনের মান উন্নত করে।

সুন্নাহর এই ফিটনেস টিপসগুলি এক বিশেষ যুগের জন্য সীমাবদ্ধ নয়, বরং সকল প্রজন্মের জন্য প্রযোজ্য। রোজা, পরিমিত আহার, শারীরিক কর্মকাণ্ড এবং সামগ্রিক সুস্থ জীবনযাত্রার মাধ্যমে আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেদের সেরা অবস্থানে পৌঁছাতে পারি। নবী মুহাম্মাদ (সা.) এর চিরন্তন শিক্ষা আমাদের শরীর ও আত্মার জন্য এক অপার নির্দেশনা। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১৪ অক্টোবর ২০২৪,/রাত ১১:৪২

▎সর্বশেষ

ad