ব্রেকিং নিউজ

প্রতারণা ও পাপাচার থেকে সুরক্ষায় যা করণীয়

Ayesha Siddika | আপডেট: ০১ জুন ২০২৪ - ০৮:৫৯:২৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : অনলাইনে অপরাধীদের নতুন ফাঁদ ‘সেক্সটরশন’ ফিতনা। ‘সেক্সটরশন’ হলো, কৌশলে কারো একান্ত গোপন ছবি কিংবা বিব্রতকর তথ্য হাতিয়ে তাকে জিম্মি করা এবং তাকে এগুলো ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর কাজ করতে বাধ্য করা। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা এই পদ্ধতিতে ভিকটিম থেকে নগদ অর্থ আদায় করে। এ ধরনের ফাঁদে সাধারণত উঠতি বয়সী ছেলে-মেয়েদের টার্গেট করা হয়।

‘সেক্সটরশন’-এর ফাঁদে পড়ে ফাঁস হওয়া ভিডিওগুলো যখন অনলাইনে চলে আসে, তখন অনেকে আবার এগুলো নিজেরা যেমন দেখে তেমনি শেয়ার করে অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে দেয়, যা মূলত অশ্লীলতা প্রসারের শামিল।

 

ইসলামের দৃষ্টিতে অনলাইনভিত্তিক কিছু অপরাধ বিষয়ে নিম্নে আলোচনা করা হলো—

অন্যের সঙ্গে প্রতারণা করা : প্রথমত এটি অত্যন্ত জঘন্য পর্যায়ের একটি প্রতারণা। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে প্রতারণা করে সে আমার দলভুক্ত নয়।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৩১৫)

অন্যের সম্মানহানি করা : অন্যের সম্মান হানি করার জন্য ফাঁদ পাতা ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ।

অন্যায়ভাবে অর্থ আদায় : অর্থ উপার্জনের জন্য এ ধরনের অন্যায় পথ অবলম্বন করা হারাম। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করবে না, তবে পরস্পরের সম্মতিতে ব্যবসা করা বৈধ। তোমরা একে অন্যকে হত্যা কোরো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু। আর কেউ সীমালঙ্ঘন করে অন্যায়ভাবে এমন কাজ করলে তাকে অগ্নিদগ্ধ করব, তা আল্লাহর পক্ষে সহজ।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩০)

সবচেয়ে বিপদের কথা হলো, এই ফাঁস হওয়া ছবি বা ভিডিও দেখে যত মানুূষ গুনাহে লিপ্ত হবে, শেয়ারকারী তাদের সবাই সমপরিমাণ গুনাহের ভাগ পাবে।  হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান পাপে জর্জরিত হবে, তার অনুসারীর পাপ মোটেও কমানো হবে না।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯০৯)

মহান আল্লাহ সবাইকে এ ধরনের পাপ ও ফাঁদ থেকে হেফাজত করুন।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০১ জুন ২০২৪,/রাত ৮:৪৪

▎সর্বশেষ

ad