
ডেস্ক নিউজ : শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটা মূলত ব্যাটিংয়ের জন্যই হেরেছে বাংলাদেশ। শুধু নাজমুল হোসেন শান্ত ছাড়া আর কেউই তেমন রানের দেখা পাননি। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই ব্যর্থ তানজিদ তামিম-মোহাম্মদ নাইমের ওপেনিং জুটি। এবারের এশিয়া কাপে বেশ ঝুঁকি নিয়েই খেলতে এসেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে দলের দুই নিয়মিত ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের কেউই নেই। তাই বাড়তি দায়িত্ব ছিল নতুন দুই ওপেনারের ওপর। তবে কেউই দিতে পারেননি প্রত্যাশার প্রতিদান। তানজিদ রানের খাতাই খুলতে পারেননি। নাইমের ব্যাট থেকে এসেছে ১৪ রান। ম্যাচ হারের পর তামিম ও লিটনের শূন্যতার কথা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন সাকিব।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অধিনায়কের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তামিম ও লিটন না থাকায় তার ওপর বেশি দায়িত্ব ছিল কি না। এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার আরও বেশি দায়িত্ব ছিল। আমি সেটা করতে পারিনি।’সাকিবের এমন উত্তর ভালো লাগেনি পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান রমিজ রাজার। অধিনায়কের এমন মন্তব্য দলের মনোবল ভাঙতে যথেষ্ট বলে মনে করছেন সাবেক এই ক্রিকেটার।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ম্যাচ-পরবর্তী প্রেজেন্টেশনে সাকিব বলেছে তাদের যে গুরুত্বপূর্ণ ওপেনিং জুটি লিটন ও তামিম নেই, এটা আমার ভালো লাগেনি। এটা বলা ঠিক নয়। কারণ, এমন মন্তব্যের পর সব দলই ভেঙে পড়ে। তারা মনে করে, আমাদের ওপর ভরসা নেই, আমাদের স্কিলের ওপর অধিনায়কের ভরসা নেই, আমাদের গোনায় ধরছেন না এবং তার চোখে আমরা ম্যাচ উইনার নই।’
সাকিবের অধিনায়কত্বেরও সমালোচনা করেছেন রমিজ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই শ্রীলঙ্কা ম্যাচের কৌশলগত ও বিশ্লেষণগত ভুল খুঁজে বের করার তাগিদ দিয়েছেন সাবেক পিসিবি চেয়ারম্যান। এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের মানসিকতা ভালো অবস্থায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
অধিনায়কের সমালোচনা শেষে আফগানিস্তান ম্যাচে ভালো করার পথও বাতলে দিয়েছেন রমিজ, ‘আপনাকে কৌশলগত ও বিশ্লেষণগতভাবে এই হারের কারণ বের করতে হবে। দ্রুত এর সমাধান করতে হবে। কারণ, বাংলাদেশের পরের ম্যাচ আফগানিস্তানের বিপক্ষে। আর আফগানিস্তান বাংলাদেশের বিপক্ষে অনেক ভালো ম্যাচ জিতেছে। বাংলাদেশকে তাদের মাটিতে হারিয়েছে। তাই সাকিবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের মানসিকতা ভালো অবস্থায় রাখা এবং এই হার থেকে শেখা। কারণ, এটা কঠিন উইকেট ছিল।’
কিউটিভি/আয়শা/০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৩:০০






