
ডেস্ক নিউজ : মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর বিভিন্ন কমিটি তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে, এরপরই বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত তিন থেকে চার মাস সময় লাগে। ফলে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগবে।
অর্থ উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করে বলেন, পে-কমিশনের সুপারিশে সরকারি কর্মচারীরা সন্তুষ্ট হবেন। কারণ কমিশনের সদস্যরা সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই তাদের প্রস্তাব প্রস্তুত করেছেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বেতন বৃদ্ধি কোনো নির্বাচনী প্রভাব ফেলবে কি না-এমন প্রশ্ন নাকচ করে দিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়টির সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
বর্তমান পে-কমিশনের কাজকে তিনি একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করে বলেন, কমিশনের সদস্যরা প্রক্রিয়াটিতে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। তিনি বলেন, তারা সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সংগঠন পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগী ও প্রবীণ নাগরিকসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন।
সবার সব দাবি শতভাগ পূরণ করা সম্ভব নয়-এ কথা স্বীকার করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিভিন্ন শ্রেণির প্রয়োজন ও প্রত্যাশা যতটা সম্ভব সুপারিশে প্রতিফলিত হবে। তবে তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন যে, পে-কমিশনের সব প্রস্তাব হুবহু বাস্তবায়িত না-ও হতে পারে, সেগুলো পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
আয়শা/২০ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ১০:৩৮






