ব্রেকিং নিউজ
ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য : মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ-মোনাকোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা

uploader3 | আপডেট: ২০ জুন ২০২৩ - ০১:১৪:১১ পিএম

ডেস্ক নিউজ : পশ্চিম ইউরোপের দেশ  মোনাকোতে পরিচয়পত্র পেশ করলেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা। মোনাকোর প্রিন্সিপালিটি প্যালেস ডি মোনাকোতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রিন্স দ্বিতীয় আলবার্টের কাছে তিনি তার পরিচয়পত্র পেশ করেন। খন্দকার এম তালহা প্রথম বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত হিসেবে মোনাকোতে পরিচয়পত্র পেশ করলেন।

ক্যারাবিনিয়ারি আউটরাইডারে সজ্জিত আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা ও প্রিন্সের গার্ড রেজিমেন্টের সশস্ত্র চৌকস দল রাজ প্রাসাদে রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করে। চেন্বারলেইন অব দি প্রিন্স জিন-লুক কারসেনাক রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এসময় উপস্তিত ছিলেন সেক্রেটারি ইভেট ল্যাম্বিন বার্টি, মন্ত্রিপরিষদের প্রধান লরেন্ট আনসেলমি, সরকারের এক্সটারনাল রিলেশনশিপ ও কো-অপারেশন মন্ত্রী ইসাবেল বেরো।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রিন্স এক বৈঠকে মিলিত হন। রাষ্ট্রদূত যুবরাজকে রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

প্রতি উত্তরে যুবরাজ বলেন, দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হলো। দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি সময় সুযোগ করে বাংলাদেশে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত যুবরাজকে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জন্ম ও অগ্রযাত্রা এবং গত ১৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্জিত অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। 

রাষ্ট্রদূত ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের রূপকল্প শেয়ার করেন এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো সম্পর্কে যুবরাজকে অবহিত করেন।

পরে রাষ্ট্রদূত এর সম্মানে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন কোঅপারেইট ও বিদেশ মন্ত্রী মিসেস ইসাবেল বেরোসহ বিশিষ্টজনরা।

কিউটিভি/অনিমা/২০ জুন ২০২৩,/দুপুর ১:১৪

▎সর্বশেষ

ad