পুরোদমে পায়রা বন্দর চালু হবে মে মাসে

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৩ - ০২:২৩:২৬ পিএম

ডেস্ক নিউজ : ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালীর রামনাবাদ নদীতীরে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রার ভিত্তিফলক স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বন্দরটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে গত ৯ বছরে একের পর এক উন্নয়নের মহাকর্মযজ্ঞ চলে। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার ক্যাপিট্যাল ড্রেজিং প্রকল্প। ড্রেজিংয়ের কারণে দশ দশমিক পাঁচ মিটার গভীরতার চ্যানেল সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমানে দেশের সব থেকে গভীর সমুদ্রবন্দর এটি।

পদ্মা সেতুর কারণে ঢাকার সঙ্গে এ অঞ্চলের দূরত্ব কমেছে। ফলে পায়রা বন্দরে দিয়ে বিদেশে আমদানি-রফতানির পণ্য পরিবহনে খরচ কমবে বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী নেতা সুলতান আহমেদ মৃধা বলেন, ‘পয়রা বন্দর পুরোদমে চালু হয়ে গেলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এখানে আসা শুরু করবেন। ফলে এখানে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।’

এদিকে কলাপাড়া উপজেলার লালুয়াতে বন্দরের প্রথম জেটি নির্মিত হচ্ছে। ৬৫০ মিটার দৈর্ঘ্য জেটির কাজও প্রায় শেষের পথে। মে মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর থেকেই বন্দরের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।
 
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গরূপে বন্দরটি উদ্বোধন করে দিলে এ বন্দরে বড় বড় জাহাজ আসা শুরু হবে। ফলে এ বন্দর ‍নতুন করে প্রাণ পাবে বলে আমি মনে করি।’অন্যদিকে পারায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে ইপিজেডসহ নানা উন্নয়ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান। প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত বন্দরের ইনার অ্যাংক্রোজে ৫টি বিদেশি মাদার ভ্যাসেল এসেছে। আর গত ছয় বছরের হিসেবে বিদেশি মাদার ভ্যাসেল আগমনের সংখ্যা ৩০৮টি।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২৫ এপ্রিল ২০২৩,/দুপুর ২:২১

▎সর্বশেষ

ad