সংগীতকে ‘আমার আপন আঁধার’ করেছেন মরিয়ম পাপড়ি

uploader5 | আপডেট: ২৩ জানুয়ারী ২০২৩ - ০৮:২৫:০১ পিএম

বিনোদন ডেস্কঃ খুব ছোট বেলায় মায়ের কোলে ঘুমপাড়ানি গান শুনে ঘুমাতে যাওয়া মরিয়ম পাপড়ি গানকেই ধারণ করেছেন সারাজীবনের জন্যে। নিজ পরিবার ছিল সংগীত প্রিয়, সাংস্কৃতিক মনা। মা গুন গুন্করে গান গাইতেন। সেই গান সন্তানের কর্ণকুহরে সুরের মূর্ছনা সৃষ্টি করত। বড় ভাই বোনেরা প্রখ্যাত নজরুল সংগীত শিক্ষক যোসেফ কমল রড্রিক্স এর কাছে তালিম গ্রহণ করতেন। সেই সুবাদে মরিয়ম পাপড়ি সংগীতের প্রথম দীক্ষা নেন যোসেফ কমল রড্রিক্স এর কাছে।

পরবর্তীতে মরিয়ম পাপড়ি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত চর্চার দীক্ষা গ্রহণ করেন পি,সি গোমেজ এর কাছে। শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে তারুণ্যময় জীবনে সব ধরণের সংগীতে শিক্ষা গ্রহণ ও নিয়মিত চর্চা করতেন মরিয়ম পাপড়ি। পারিবারিক ঐতিহ্য, রীতিনীতি সব কিছুই ছিল তাঁর সংগীত চর্চার ক্ষেত্রে অনুকূলতায়।

রামপুরায় তখন বাংলাদেশ টেলিভিশনের কার্যক্রম শুরু হয়নি। ঢাকার ডিআইটি ভবন থেকে বিটিভি সম্প্রচারিত হত। শিশু শিল্পী হিসাবে ডিআইটির টিভি কেন্দ্র থেকে গান গাওয়া শুরু করলেন মরিয়ম পাপড়ি। পরবর্তীতে রামপুরায় টিভি সেন্টার চালু হলে মরিয়ম পাপড়ি বিটিভির এনলিস্টেড শিল্পী হিসাবে তালিকা ভুক্ত হন।

শৈশব কৈশোরে গান শিখতেন মরিয়ম পাপড়ি। এখন নিজেই তিনি গানের শিক্ষক ও ডাইরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন ”জাগো আর্ট সেন্টার” এ। সংগীত জীবনে সবচেয়ে অনুপ্রেরণা লাভ করেছেন মা এর কাছ থেকে। বৈবাহিক জীবনে সংগীত জীবনের অন্তরায় না হয়ে স্বামী এড. সুজায়েত হোসেন শাহীন অনুপ্রেরণা, সাহস ,শক্তি জুগিয়েছেন সব সময়। মরিয়ম পাপড়ির সন্তানেরাও সব সময় মা’কে উৎসাহ দিয়ে আসছেন।

শ্যামা সংগীত, নজরুলগীতি, উচ্চাঙ্গ সংগীত সহ সব ধরণের সংগীতে অবাধ বিচরণ মরিয়ম পাপড়ির। সংগীতের মাঝে নিজেকে উজাড় করে প্রশান্তি লাভ করেন তিনি। গানকে জীবনের অংশ হিসাবে গ্রহণ করেছেন মরিয়ম পাপড়ি।


গান গাওয়ার মাধ্যম এখন বদলে গেছে। Mariam Papri নামে (https://www.youtube.com/@mariampaprirob6735) ইউটিউবে মরিয়ম পাপড়ির একটি চ্যানেল আছে। নিয়মিত সেখানে ভিডিও চিত্র সহ গান আপলোড করে থাকেন। মরিয়ম পাপড়ি বলেন, গান গাই আমি নিজের ভালো লাগার জন্যে। এর মধ্যে আমার গান যদি কারও ভালোলাগে তাহলে সেটাকে বোনাস হিসাবে গ্রহণ করি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যেন গান গেয়ে যেতে পারি, এজন্যে সকলের কাছে দোয়া ও শুভেচ্ছা কামনা করেছেন সংগীত শিল্পী মরিয়ম পাপড়ি।

২৩.০১.২০২৩/ রাত ৮.০৯

▎সর্বশেষ

ad