ব্রেকিং নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী

বোয়ালমারীতে নিহত দুই পরিবারে শোকের মাতম

admin | আপডেট: ০৪ মে ২০২২ - ০৮:৩৬:২২ পিএম

ডেস্ক নিউজ : ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ঈদের দিন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় নিহত দুইজনের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ঈদের আনন্দের পরিবর্তে অজানা ভবিষ্যতের শঙ্কায় পরিবার দুটির স্বজনেরা দিশাহারা। বুধবার সরেজমিনে নিহতদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের গোহাইলবাড়ি গ্রামে পাশাপাশি অবস্থিত পরিবার দুটিতে চলছে শোকের মাতম। নিহত কৃষক খায়রুল মোল্যার (৪৫) বাড়িতে কান্নার আওয়াজে ভারি হয়ে উঠেছে চারিদিকের পরিবেশ। নিহতের একমাত্র ছেলে ইয়াছিনের বয়স ১৫ বছর। নিহতের মা জরিনা বেগম(৭০) বলেন, ‘আমার ছেলের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। যারা আমার ছেলেকে ঈদের দিন কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।’ 

নিহত খায়রুল মোল্যার মেয়ে রাবেয়া বেগম বাড়ির উঠানে গড়াগড়ি খেতে খেতে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘ঈদের দিন আমি শ্বশুর বাড়ি মধুখালি থেকে বাবার বাড়ি গোহাইলবাড়ি আসছিলাম। বাবা আমাকে এগিয়ে আনতে দুপুরে বাড়ি থেকে বের হন। তখন গোহাইলবাড়ি গ্রামের আরিফের অনুসারী আমজেদসহ কয়েকজন আমার বাবাকে কুপিয়ে মেরেছে।’ এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমার বাবার হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। আমি মৃত্যুর বদলে মৃত্যু চাই।’নিহত খায়রুলের স্ত্রী নাসিমা বেগম বলেন, ‘ঢাল, সড়কি, রামদা, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আরিফের লোকেরা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে।’

নিহত খায়রুল মোল্যার কয়েকটি বাড়ি পরেই প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় নিহত আকিদুল শেখের (৪৬) বাড়ি। প্রতিবেশীরা জানান, ঘটনার দিন আকিদুল তরমুজ বিক্রি করে বাড়ি ফিরছিলেন। একই গ্রুপের লোক হওয়ায় পথিমধ্যে আকিদুলকেও ওই দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে। আকিদুল শেখের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, তার নির্মম হত্যাকাণ্ডে পরিবার ও প্রতিবেশীরা বাকরুদ্ধ। জন্মের সময় মা মারা যাওয়া আকিদুলের মেয়ে আছিয়ার বয়স মাত্র দুই বছর। মায়ের আদর বঞ্চিত আছিয়া এখনো জানে না তার বাবাও আর এই পৃথিবীতে বেঁচে নেই। আকিদুল শেখের চার ছেলের মধ্যে বড় ছেলে আজিজের বয়স পনের বছর, মেজ ছেলে রিয়াজুলের বয়স চৌদ্দ বছর, সেজ ছেলে মমিনের বয়স দশ বছর এবং ছোট ছেলে মোস্তাকিনের বয়স সাত বছর। এতিম হয়ে পড়া এই পাঁচ শিশুর দায়িত্ব নিজের কাঁধে পড়ায় তাদের ভবিষ্যৎ এবং ভরণপোষণের সংস্থানের কথা ভেবে নির্বিকার আকিদুলের সত্তর বছর বয়সী অসুস্থ মা। 

 

 

কিউটিভি/আয়শা/৪ঠা মে, ২০২২/১৮ বৈশাখ, ১৪২৯/রাত ৮:৩০

▎সর্বশেষ

ad