ভাসমান সবজি চাষে স্বাবলম্বী তারা

admin | আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২২ - ০৬:০৯:২৯ পিএম

ডেস্ক নিউজ : হবিগঞ্জর নবীগঞ্জে ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি ও মসলা চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকরা। জলাবদ্ধ এলাকায় বেড বা ধাপে সবজির চাষ করে এলাকায় সবজির চাহিদা মিটিয়ে স্বল্প সময়ে এই প্রকল্পে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ থাকায় এলাকার চাষিদের উৎসাহিত করে উপজেলায় এই চাষের সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ। 

নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পূর্ব জাহিদপুর গ্রামে শতাধিক কৃষক ভাসমান বেডে পানিতে কচুরিপানার উপর মাটি ছাড়াই চাষ করছেন লাউ, খিরা, টমেটো, মরিচ, ডাটা, লাইশাক, ঢেড়স, লালশাক ও নাগামরিচ। ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষে খরচ কম কিন্তু আয় বেশি হওয়ায় স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকরা। পূর্ব জাহিদপুর গ্রামের কৃষক ছাও মিয়া বলেন, স্থানীয় কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ করেছি। আমি ও আমার স্ত্রী মিলে ভাসমান বেডে পরিচর্যা করে ২৩০টি লাউ বিক্রি করেছি। প্রতিটি লাউ ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও মাচার নিচ থেকে লালশাক, লাউশাক, নাগা মরিচের ভালো ফলন হয়েছে।

ওই গ্রামের কৃষক রোহেল মিয়া জানান, ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে এ পর্যন্ত ৮০ কেজি খিরা, ৭০টি মিষ্টি কুমড়া ও নানা রকম শাক উৎপাদন করে বিক্রি করে লাভবান হয়েছি। নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার এ কে এম মাকসুদুল আলম বলেন, ভাসমান বেডে সবজি চাষ করলে একদিকে যেমন পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও নিরাপদ শাকসবজি পাওয়া যায়, অন্যদিকে কচুরিপানায় ইঁদুর ও মশার বাসস্থান নষ্ট হয়। ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে কৃষকরা সাবলম্বী হচ্ছেন। ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

 

 

কিউটিভি/আয়শা/৬ই এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৬:০৮

▎সর্বশেষ

ad