ব্রেকিং নিউজ
হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন স্মরণে আলোচনা অনুষ্ঠান

admin | আপডেট: ১০ জানুয়ারী ২০২২ - ০৩:১৭:২০ পিএম

ডেস্ক নিউজ :  বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে একুশে টেলিভিশনে আয়োজন করা হয়েছে “মুক্ত স্বদেশে মুক্ত নেতা” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাট্যজন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অংশ নেন লে.কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, বীর প্রতীক এ কে এম আতিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত।  

এছাড়া অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ পংকজ ভট্টাচার্য্য। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ উল্লেখ করেন ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সামরিক জান্তা আত্মসমর্পণ করলেও বিজয়ের আনন্দ অপূর্ণ ছিল।

স্বাধীনতার রূপকার বঙ্গবন্ধু তখনও পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি। স্বাভাবিক কারণেই বাঙ্গালীর সেই আনন্দ পরিপূর্ণ হয়নি। দেশ বিদেশের নানান শক্তি তখন বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলে এবং পাকিস্তানের উপর চাপ অব্যাহত রাখে।

সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী ১৯৭২ সালে লন্ডনে বঙ্গবন্ধুর সাহচার্যের স্মৃতিচারণ করেন। তরুন আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, এমন দিন লন্ডন দেখেনি। সকালে খবর পান বঙ্গবন্ধু লন্ডন আসছেন। সরকারি দল বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ ডজন খানেক বৃটিশ মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করতে আসেন ক্লারিজ হোটেলে।

জনতার চাপে সেদিন ঐতিহ্যবাহী ক্লারিজ হোটেলের প্রটকল নিয়ম বদলে যায়। মানুষের ভালোবাসা শ্রদ্ধায় সেদিন এক ভিন্ন লন্ডন হয়ে ওঠে।

সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান স্মৃতিচারণ করেন, শশাংঙ্ক শেখর ব্যানার্জির বয়ান থেকে। ১৯৬২ সাল থেকে মি. ব্যানার্জি শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ রাখতেন।

বৃটিশ রয়েল এয়ারফোর্সের কমেট জেট বোয়িং এ করে দিল্লি হয়ে মুক্ত স্বদেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু। সেই দিন মি.এস ব্যানার্জি বঙ্গবন্ধুর পাশের সিটে বসে লন্ডন থেকে আসেন। বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম ও কূটনৈতিক দূরদর্শিতা তাকে আবিভূত করে।

পাকিস্তান জেলে বন্দি বঙ্গবন্ধুর নানা স্মৃতি কথা উঠে আসে আলোচকদের আলোচনায়। এছাড়া ভুট্টর কনফেডারেশনের প্রস্তাব দৃঢ়তার সাথে রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ফিরিয়ে দেন বঙ্গবন্ধু। তার প্রত্যাবর্তনে বিজয়ের লাল সূর্য উদ্ভাসের সাথে উত্তাপে পূর্ণতা পায়।

অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন রুশো রকিব। ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট একুশে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে এই আলোচনা অনুষ্ঠান।

কিউটিভি/অনিমা/১০ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৩:১৭

▎সর্বশেষ

ad