ব্রেকিং নিউজ
মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপিন্সের ৪ পাইলট নিহত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে মিথ্যাচার করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী গাজীপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কৃতজ্ঞতা হুমকিতে ব্যাংক-সরকারি পোর্টালে সাইবার হামলার আশংকা, উচ্চ সতর্কতা জারি প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে জাপানে থাকবেন না রাষ্ট্রদূত শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হওয়ায় আইজিপিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের ধন্যবাদ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবি, বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ

২০১৩ সালের চুক্তির আওতায় হাসিনাকে কি ফেরত পাঠাবে ভারত

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ০৭:৪২:১৭ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছে ঢাকা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও রায় ঘোষণার পর, ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ সরকার। 

২০১৩ সালের চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা আছে, কোনো মামলা যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয় বা অভিযুক্তের অপরাধ ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ বলে মনে হয়, তবে অন্য দেশ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য নয়।
ভারত চাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া এই বিচারকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখিয়ে তাকে ফেরত দিতে অস্বীকার করতেই পারে।

এ ছাড়া চুক্তির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, বিচারে যদি শতভাগ নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার বজায় না থাকে, তবে বন্দি ফেরত পাঠানোর আবেদন নাকচ করা যায়। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে মামলা চালানো এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনাল থেকে এসেছে, আন্তর্জাতিক মহলেও তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ভারতেও নিজস্ব ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইন রয়েছে, যা অনুযায়ী যেকোনো সাজানো বা রাজনৈতিক বিচারে কাউকে ফেরত দেওয়া আটকানো যায়। আইনের এই ফাঁকফোকরের পাশাপাশি দিল্লির রাজনৈতিক হিসেবও বেশ বড় এক বিষয়। শেখ হাসিনা বহু বছর ধরে দিল্লির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন।

সংকটকালে আশ্রয় দেওয়া এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে বিচারিক সাজা খাটার জন্য ঢাকা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের কূটনৈতিক ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে পারে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের চিঠি পাওয়ার পরও, চুক্তির আইনি অজুহাত দেখিয়েই ভারতকে এই প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখতে বা শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরে না বলতে দেখা যাবে।

 

 

আয়শা/০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৪০

▎সর্বশেষ

ad