
বিনোদন ডেস্ক : সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন বলছে, দীর্ঘ ৪ বছর চলমান সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলায় ‘সরকারি সাক্ষী’ হতে চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন জ্যাকুলিন। কিন্তু গত ১১ মে আদালতে এ আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে ইডি।
তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য, জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে যে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে, তাতে তাকে সাক্ষী নয়, বরং অভিযুক্ত হিসেবেই দেখা উচিত। এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদন জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১২ মে) বিশেষ বিচারক প্রশান্ত শর্মার আদালতে সুকেশের সমান দোষী বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে জ্যাকুলিনকে। তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে এমন সব প্রমাণ আদালতে তুলে ধরে যাতে স্পষ্ট হয় ২০০ কোটি অর্থ পাচারের বেশির ভাগই সুকেশ খরচ করেছেন জ্যাকুলিনের পেছনে।
সুকেশের সঙ্গে জ্যাকুলিনের ফোনালাপ, বার্তা আদান প্রদানের তথ্য নিশ্চিত করছে, অভিনেত্রী সুকেশের টাকার উৎস সম্পর্কে সব জানতেন। আর এসব তথ্য জানার পরেও সুকেশের থেকে বিপুল পরিমাণ দামি উপহার, গয়না, বিলাসবহুল ব্যাগ-গাড়ি, অন্যান্য সামগ্রীসহ নানা সুবিধা গ্রহণ করতেন। শুধু তাই নয়, সুকেশের অর্থ পাচারের প্রক্রিয়ায় অংশও হয়ে উঠেছিলেন জ্যাকুলিন। তাই ভুক্তভোগী নয়, জ্যাকুলিনকে এ বিশাল পরিমাণ অর্থ পাচারে সুকেশের একজন সহযোগী বলে মনে করছে ইডি। সুকেশের ২০০ কোটি অর্থ পাচারের মামলায় প্রথমদিকে জ্যাকুলিন, নোরাসহ অনেক বলিউড নায়িকারই নাম জড়ায়।
তবে নাম জড়ানোর পর আর্থিক কেলেঙ্কারি থেকে একে একে সব নায়িকাই সুকেশের থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেন।একমাত্র জ্যাকুলিনই তার ব্যতিক্রম ছিলেন। আর্থিক জালিয়াতি মামলায় নিজের নাম না সরিয়ে বরং তিনি ‘ভুক্তভোগী’ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনের চেষ্টা শুরু করলেন যা মূলত অভিনেত্রীর আইনি সুবিধা পাওয়ার কৌশল হতে পারে বলে মনে করছে ইডি।
আয়শা/১৪ মে ২০২৬,/সকাল ৯:৩৩






