৪০ বছর পর বিশ্বকাপ খেলার দ্বারপ্রান্তে ইরাক, উন্মাদনা দেখে বিস্মিত কোচ

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬ - ০৭:৫০:০৭ পিএম

স্পোর্টস ডেস্ক : রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা, ভঙ্গুর অর্থনীতি, ব্যাপক দুর্নীতি এবং ভয়াবহ জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত ইরাক।

সেই দেশেও যে ফুটবলের এমন উন্মাদনা থাকতে পারে সম্ভবত তা ভাবনাতেও ছিল না গ্রাহাম আরনল্ডের। এই অস্ট্রেলিয়ান যখন ইরাক ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিচ্ছিলেন, তখন বলা হচ্ছিল তাদেরকে বিশ্বকাপে তোলা হবে বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন কাজের একটি। সেই দলটি এখন বিশ্বকাপ থেকে কেবল এক ম্যাচের দূরত্বে!

আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফের ফাইনালে আগেই উঠেছিল ইরাক। তাদের প্রতিপক্ষও চূড়ান্ত হয়েছে। লাতিন দেশ বলিভিয়াকে হারাতে পারলে ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেবে ইরাক। আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে তাদের ৪০ বছরের অপেক্ষা ঘুচবে।
ইরাকের কোচ আরনল্ডের মতে– ‘এই চাকরি নেওয়ার আগে আমাকে বলা হয়েছিল সম্ভবত বিশ্বের অন্যতম কঠিন কাজ এটি। ৪০ বছর ধরে ইরাক বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি। ফলে প্রচন্ড চাপ সামলানোর বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে যেখানে ৪৬ মিলিয়ন মানুষ ফুটবল-আসক্ত।’

৩১ মার্চ মেক্সিকোর মন্টেরিতে প্লে-অফ ফাইনালে লড়বে ইরাক-বলিভিয়া। সেখানে জিতলে প্রথম অস্ট্রেলিয়ান কোচ হিসেবে দুটি ভিন্ন দলের হয়ে বিশ্বকাপে কোচিং করাবেন গ্রাহাম আরনল্ড। এর আগেরবার তিনি বিশ্বকাপে তুলেছিলেন নিজ দেশ অস্ট্রেলিয়াকে। আরনল্ড বলেন, ‘আমি সেই স্মরণীয় মুহূর্তটি স্মরণ করি, ২০০৫ সালে যখন সকারুরা (অস্ট্রেলিয়া) বিশ্বকাপে ওঠে।

যার প্রভাব পুরো দেশে পড়েছিল। ইরাকেও সবার ধমনীতে একই রক্ত বইছে এবং তারা খেলার প্রতি খুব আবেগী। বছরের পর বছর আমার কোচিং কিংবা ইরাকের বিপক্ষে খেলার সময়ে তাদের শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছি, ভাবুন তো সেই দল কি না ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপের বাইরে।’

 

 

আয়শা/২৯ মার্চ ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৪৮

▎সর্বশেষ

ad