
স্পোর্টস ডেস্ক : সম্প্রতি শেষ হওয়া ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো একে-অপরের মুখোমুখি হয় নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ও পঞ্চম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৩৩ রানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর তাতেই পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে প্রোটিয়ারা।
আজ ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছিল ৪ উইকেটে ১৮৭ রান। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৫৪ রানেই থেমে যায় স্বাগতিক শিবির।
আর কিউদের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ জেতার মূল কৃতিত্বটা পাবেন ব্যাটসম্যান কনর ইস্টারহাউজেন। ৩৩ বলে ৫ চার ও ৬ ছক্কায় ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন এই ব্যাটসম্যান। তিনি উইকেটে আসেন ১১তম ওভারে। তখন দক্ষিণ আফ্রিকার রান ২ উইকেটে ৭৬। সেখান থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ১৮৭ পর্যন্ত গেছে ইস্টারহাউজেনের কল্যাণে। তারই পুরস্কার হিসেবে ম্যাচ ও সিরিজ সেরাও নির্বাচিত হয়েছেন কনর ইস্টারহাউজেন।

এর আগে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ফিফটি করেছিলেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডারদের দায়ও আছে। বেশ কয়েকটি ক্যাচ ফেলেছে তারা। যদিও দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়ে রুবিন হারমানকে ফিরিয়েছেন নিক কেলি। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে রুবিন হারমানের ব্যাট থেকে, তিনি করেছেন ৩৯ রান।
রান তাড়ায় দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ২ রান করে ফেরেন কেটেন ক্লার্ক। টিম রবিনসন, ডেন ক্লিভাররাও ম্যাচ জেতানোর মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। রবিনসন করেছেন ২৫, ক্লিভার ২২। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৯ বলে ৩৬ রান করেছেন বেভন জ্যাকবস। অধিনায়ক জিমি নিশাম করেছেন ২৪ বলে ২৪ রান। তবে এসব ইনিংস হারের ব্যবধানটাই কমিয়েছে। এর আগে সিরিজের প্রথম ও চতুর্থ ম্যাচ জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা :
২০ ওভারে ১৮৭/৪ (ইস্টারহাউজেন ৭৫, হারমান ৩৯; সিয়ার্স ২/৩৭, ফোকস ১/২২)।
নিউজিল্যান্ড :
২০ ওভারে ১৫৪/৮ (জ্যাকবস ৩৬, রবিনসন ২৫; কোয়েৎজে ২/২১, মুল্ডার ২/২৮, বার্টম্যান ২/৩৩)।
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৩ রানে জয়ী।
সিরিজ : দক্ষিণ আফ্রিকা ৩-২ ব্যবধানে জয়ী। ম্যাচ ও সিরিজসেরা: কনর ইস্টারহাউজেন।
এসএস/এসএন
আয়শা/২৫ মার্চ ২০২৬,/বিকাল ৫:০০






