
বাণিজ্য ডেস্ক : বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের সমান নির্ণয়কারী সূচক ৯৫ দশমিক ৫৬৬-এ নেমে এসেছে। যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার আরও কমাতে পারে এমন প্রত্যাশা, শুল্কনীতি ঘিরে অনিশ্চয়তা, নীতিনির্ধারণে অস্থিরতা- এসব নানা কারণেই ডলারের দাম কমছে। পাশাপাশি ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের আশঙ্কা ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান রাজস্বঘাটতির প্রভাবও বাজারে পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হচ্ছে।
আর আইওয়ায় এক ভাষণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ডলারের মূল্য আরও কমে যাক-এমনটা তিনি চান না। তার চাওয়া, ডলার নিজের জায়গাতেই থাক।
ডলারের মূল্য খুব বেশি কমে গেছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি মনে করি, ডলার দারুণ অবস্থানেই আছে। ডলারের মূল্য…ডলার ভালোই করছে।’ কিন্তু ট্রাম্পের কপাল খারাপ। এসব মন্তব্যের পর ডলার ইনডেক্স বা ডলারের পতন আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।
এদিকে, ডলারের দাম চার বছরের মধ্যে প্রায় সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। মঙ্গলবার ৩ শতাংশের বেশি বাড়ার পর বুধবার প্রথমবারের মতো মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৫ হাজার ২০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বলেন, ডলারের দুর্বলতার কারণে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর মনে হচ্ছে হোয়াইট হাউসে সবাই ভাবছে ডলারের দাম ভবিষ্যতে আরও কমে যাবে। এটি স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
খোরশেদ/২৮ জানুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৩:১৪





