ব্রেকিং নিউজ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কোরবানি হচ্ছে না ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ বাংলাদেশিদের জেলে পাঠাতে হবে না, সোজা বিএসএফের হাতে তুলে দেবে -শুভেন্দু হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু যমুনা সেতুতে ফের যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে ঘরমুখো মানুষ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের খসড়া চুক্তি : হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে যমুনার পানি বৃদ্ধি দাউদাউ করে জ্বলছে লন্ডনের ইহুদি সুপারমার্কেট, এলাকায় আতঙ্ক সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চট্টগ্রামের শতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন চামড়ার নায্যমূল্য নিশ্চিতে যেসব পদক্ষেপের কথা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী

স্মরণকালের ভয়াবহ তুষারপাতে বিপর্যস্ত পাকিস্তান

khurshed | আপডেট: ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ - ০৮:১৬:২৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের তিরাহ উপত্যকায় প্রবল তুষারপাতে আটকা পড়া ১৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) প্রদেশটির জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রেস্কিউ ১১২২’ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তুষারঝড়ে বিপন্ন পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ওই এলাকায় একটি সামরিক অভিযান শুরুর আগমুহূর্তে বহু পরিবার যখন এলাকা ছেড়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তারা ভয়াবহ তুষারঝড়ের কবলে পড়েন। হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা এবং পিচ্ছিল পাহাড়ি রাস্তার প্রতিকূলতা জয় করে টানা ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন কর্মীরা। 

রেস্কিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফৈজি জানিয়েছেন, তিরাহ উপত্যকার বিভিন্ন এলাকা থেকে এ পর্যন্ত ৩৫০টি যানবাহন এবং ১,৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তুষারপাতে অসুস্থ হয়ে পড়া শতাধিক মানুষকে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এই অভিযানে খাইবার, পেশোয়ার, মারদান, নওশেরা এবং সোয়াবি জেলা থেকে আসা ১০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকর্মী অংশ নিচ্ছেন। তুষারপাতের ভয়াবহতার কারণে খাইবার জেলা প্রশাসন আপাতত তিরাহ উপত্যকা থেকে লোক সরিয়ে নেওয়ার কাজ স্থগিত করেছে এবং বাসিন্দাদের প্রতিকূল আবহাওয়া না কাটা পর্যন্ত বড়া এলাকার দিকে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে।

এদিকে পাকিস্তানের অন্যান্য পাহাড়ি এলাকাতেও তুষারপাতের প্রভাব পড়েছে। জাতীয় হাইওয়ে ও মোটরওয়ে পুলিশ নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মুরি ভ্রমণে বিরত থাকতে বলেছে। 

মুরি এক্সপ্রেসওয়ে আপাতত সাধারণ যাতায়াতের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কেবল স্থানীয়দের সীমিত পরিসরে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের যেকোনো ভ্রমণের আগে মোটরওয়ে পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া বা হেল্পলাইন থেকে সড়কের সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র: দ্য ডন।

 

 

আয়শা/২৪ জানুয়ারী ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৩০

▎সর্বশেষ

ad