হালাল রিজিক অর্জনের চেষ্টা করাও ইবাদত

Ayesha Siddika | আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৫ - ০৫:০৫:২০ পিএম

ডেস্ক নিউজ : মুফতি আবদুল্লাহ তামিম

কেননা, হালাল রিজিকেই বরকত রয়েছে আর তা আমাদের ঈমান ও আমলকে মজবুত করে। আল্লাহ তাআলা ও তার রসুল (সা.) আমাদেরকে যে পথে জীবন পরিচালনা করতে নির্দেশনা দিয়েছেন, তার মধ্যে হালাল রিজিকের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন, 

অতঃপর নামাজ সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে (জমিনে) ছড়িয়ে পড়ো আর আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) সন্ধান করো এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো; যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সুরা জুমা ১০)। এ আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে রিজিকের জন্য পরিশ্রম করতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং সাথে সাথে আল্লাহকে স্মরণ রাখার তাগিদ দিয়েছেন, যা আমাদের সফলতার পথ দেখায়।

রসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যদি রশি নিয়ে সকালবেলা পাহাড়ের দিকে বের হয়। এরপর লাকড়ি সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে এবং দানও করে। মানুষের কাছে হাত পাতার চেয়ে তার জন্য এটা উত্তম।’ (বুখারি ১৪৮০, মুসলিম ১০৪২)। এ হাদিসটি আমাদের শিক্ষা দেয় পরিশ্রম এবং আত্মনির্ভরশীলতার গুরুত্ব। হালাল পথে জীবিকা অর্জন করতে পারাই একজন মুমিনের জন্য শ্রেষ্ঠ পথ। হালাল রিজিকের জন্য কেবল পরিশ্রম করাই যথেষ্ট নয়; আল্লাহর কাছে এই রিজিকের জন্য দোয়া করাও জরুরি। প্রয়োজনে সালাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর কাছে চাওয়া এবং যে কোনো ছোট প্রয়োজনে আল্লাহর দয়া প্রার্থনা করা উচিত।


মুমিনের জীবনে হালাল রিজিকের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি তার ইবাদত, দোয়া এবং দৈনন্দিন জীবনের সব দিকেই প্রভাব ফেলে। হালাল পথে জীবিকা অর্জন করলে আল্লাহর বরকত আসে এবং জীবনেও প্রশান্তি পাওয়া যায়। আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে জীবনে হালাল পথে রিজিকের জন্য চেষ্টা করা, দোয়া করা এবং সবসময় আল্লাহর উপর নির্ভর রাখা, এগুলো একজন মুমিনের সফল জীবনের মন্ত্র।

 

 

 

আয়শা/২০ আগস্ট ২০২৫/বিকাল ৪:৫৫

▎সর্বশেষ

ad