ব্রেকিং নিউজ
হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

তিস্তাতীরে কান্না, সিন্ডিকেটের উৎসব..

Mohon | আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৫ - ১১:৪২:২৭ এএম

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদী যেন এখন এক ‘সোনার খনি’। আর সেই খনির পাহারাদার একদল প্রভাবশালী পাথরখেকো সিন্ডিকেট। নদীর বুক চিরে প্রতিদিন উত্তোলন হচ্ছে হাজার হাজার ঘনফুট পাথর, যা উত্তোলন হচ্ছে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও লোহার তৈরি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে। এসব কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যেই ঘটছে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের চোখের সামনে, কিন্তু নেই কার্যকর কোনো প্রতিরোধ। নেই পর্যাপ্ত আইন প্রয়োগের দৃশ্যমান ব্যবস্থা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাইশপুকুর, চরখড়িবাড়ি, একতা বাজার, তেলির বাজার, তিস্তা বাজার, কালিগঞ্জ, ছোটখাতা গ্রোয়েন বাঁধ ও ডালিয়া বাজারসহ অন্তত ১৫-২০টি স্থানে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট প্রতিদিন নদী খুঁড়ে পাথর তুলছে। ব্যবহৃত হচ্ছে প্রায় ৩০-৪০টি যান্ত্রিক নৌকা, যেগুলো প্রতিদিন গড়ে ৬০০-১,০০০ ঘনফুট পর্যন্ত পাথর উত্তোলন করছে। এতে দৈনিক উত্তোলিত পাথরের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৫,০০০ ঘনফুটের ঊর্ধ্বে, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১৫-২০ লাখ টাকা। সিন্ডিকেট প্রতি ঘনফুট পাথর শ্রমিকদের কাছ থেকে ৪০-৫০ টাকা দরে কিনে, কিছু প্রক্রিয়াজাত করার পর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করছে ১০০-১২০ টাকায়। ফলে মাসিক অবৈধ আয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪-৫ কোটি টাকা, যার এক টাকাও সরকারি কোষাগারে রাজস্ব হিসেবে যাচ্ছে না। এই বিপুল পরিমাণ পাথর পরিবহনের জন্য প্রতিদিন শতাধিক টলি (ট্রাক্টর) ও ট্রাক চলাচল করছে ডিমলা উপজেলার প্রধান ও উপসড়কগুলো দিয়ে। অতিরিক্ত ওজনের এসব যানবাহনের কারণে গ্রামীণ সড়কগুলো চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোথাও কোথাও ইট-বালু উপড়ে গিয়ে তৈরি হচ্ছে গর্ত ও ধুলাবালির স্তূপ, যা স্থানীয়দের যাতায়াতের জন্য হয়ে উঠেছে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :
কিউটিভি/রাজ/২৯ জুলাই ২০২৫/সকাল:১১.৪০

▎সর্বশেষ

ad