ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাবার কাঁধে পরপারের উদ্দেশ্যে উক্যছাইংয়ের শেষ যাত্রা

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৫ - ০৯:৩০:১৩ পিএম

আলমগীর মানিক,রাঙামাটি : ধর্মীয় রীতিনুসারে শোকাবহ পরিবেশে বুধবার বিকেলে মাইলেষ্টোন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী উক্যছাইং মারমাকে(১৪) তার নিজ বাড়িতে সমাহিত করা হয়েছে। বুধবার ২৩ জুলাই বুধবার বিকেলে তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন শেষ করে তাকে শ্মশানে নিয়ে যায়।এবং উক্যছাইং মারমাকে(১৪) বৌদ্ধ ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে সমাহিত করা হয়।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার মেধাবী ছাত্র উক্য চিং মারমা গত ২১জুলাই জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। উক্যছাইং মারমার ক্যন্টেনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষিকা শারমিন আক্তার তার বিষয়ে বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন, তিনি বলেন, উক্যছাইং মেধাবী ও বিনয়ী ছিলেন এবং সৃজনশীল চিন্তা ভাবনাও ছিল তার মধ্যে। আমি তাকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পেয়েছি, পরে উচ্চ শিক্ষার লক্ষে ঢাকায় নিয়ে যান তার পরিবার।

তার বাবা উসাইমং মারমা বলেন-আমার ছেলে অত্যন্ত বিনয়ী এবং মেধাবী ছিলেন। উক্যছাইং বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার  হওয়ার স্বপ্ন ছিল তা আর হলো না। গত ২১ জুলাই আমার কাছে একটা কল আসে দুপুরে ওপর দিক থেকে বলে আপনি কোথায় আছেন আমি বললাম আমি রাজস্থলী তখন ওপার থেকে বলেন আপনার ছেলে হাসপাতালে আপনাকে দ্রুত আসতে হবে না হয় কোন আত্মায়ী থাকলে তাদের পাঠান।তখন আমার আত্মীয়দের পাঠালাম এবং আমি রাত ১২ টায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পৌছায় এবং ডাক্তার বলেন আপনার ছেলে শতভাগ বার্ন হয়েছে। তার জন্য দোয়া করেন। এ কথাগুলো বলতে বলতে শুধু কান্না করছেন। তিনি বলেন তার ভালো কথা বলে শেষ করতে পারব না। অন্যদিকে তার (উক্যছাইং) মা কোনভাবে কথা বলতে পারছেন না বার বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন ছেলের শোকে। উক্যছাইং মারমার বাবা- মাসহ আত্মীয় প্রতিবেশি বন্ধু বান্ধব এবং সকলেরই একটি কথা এভাবে আর মৃত্যু চাই না, বিশেষ করে জন বহুল এলাকায় আর কোন ধরনের বিমান প্রশিক্ষণসহ ঝুঁকিপূর্ণ প্রশিক্ষণ যেখানে জনসাধারণের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে এমনটা না করার দাবী জানিয়েছেন সরকারের কাছে।

আয়শা/২৩ জুলাই ২০২৫,/রাত রাত ৯:১২

▎সর্বশেষ

ad