ব্রেকিং নিউজ
ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য : মির্জা ফখরুল

ইসলামি সমাজব্যবস্থায় সংযম ও নারীর মর্যাদা

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৭ জুন ২০২৫ - ০৫:৩১:২৩ পিএম

ডেস্ক নিউজ : সুরা আন-নুরের ৩৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সংযম ও নারীর সম্মান সংরক্ষণের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। এই আয়াত সমাজ সংস্কারের একটি পরিপূর্ণ ঘোষণা, যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজকে পরিশুদ্ধ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে সহায়ক।

দাস-দাসীর প্রচলন থাকাকালে অনেক সময় দাস-দাসীগণ অর্থের বিনিময়ে মুক্তি লাভের জন্য মনিবদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হত। উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ধার্য করা হত। তারা যথাসময়ে মনিবকে সে অর্থ পরিশোধ করলে দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যেত। মুক্তি লাভের জন্য সম্পাদিত এ চুক্তিকেই ‘মুকাতাবা’ বা ‘কিতাবা’ বলা হয়। এ আয়াতে মনিবদেরকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, দাস-দাসীগণ এরূপ চুক্তি করতে চাইলে তারা যেন তাতে সম্মত হয়। আর অন্যান্য মুসলিমকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে তারা যেন এরূপ দাস-দাসীর মুক্তির লক্ষ্যে তাদেরকে অর্থসাহায্য করে।

আয়াতে বলা হয়েছে, যদি তাদের মধ্যে ভালো কিছু দেখ। অর্থাৎ যদি মনে হয় এরূপ চুক্তি দাস-দাসীর পক্ষে বাস্তবিকই কল্যাণকর হবে। অর্থাৎ, মুক্তি লাভের পর তারা চুরি, ব্যভিচার, অন্যায়-অপকর্ম করে বেড়াবে না। এরূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদেরকে মুক্তি লাভের সুযোগ দেওয়া উচিত, যাতে তারা মুক্তি লাভের পর আত্মসংশোধনের পথে উন্নতি লাভ করতে পারে এবং কোথাও বিবাহ করতে চাইলে স্বাধীনভাবে তা করতে সমর্থ হয়; দাসত্বের কারণে ক্ষেত্র সংকুচিত না থাকে। জাহেলি যুগে রেওয়াজ ছিল, দাস-দাসীর মালিকগণ তাদের দাসীদেরকে দিয়ে দেহ বিক্রি করাত এবং এভাবে তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য করে অর্থোপার্জন করত। এ আয়াত তাদের সেই ঘৃণ্য প্রথাকে একটি গুরুতর গুনাহ সাব্যস্ত করত সমাজ থেকে তার মূলোৎপাটন করেছে।

অর্থাৎ, যেই দাসীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ব্যভিচারে বাধ্য করা হয়েছে, সে যদি ব্যভিচার থেকে বাঁচার যথাসাধ্য চেষ্টা করে থাকে, তবে সে যেহেতু অপারগ হয়ে তা করেছে তাই তার কোন গুনাহ হবে না এবং ব্যভিচারের শরয়ী শাস্তিও তার উপর আরোপিত হবে না। হাঁ যে ব্যক্তি তার সাথে ব্যভিচার করেছে তাকে অবশ্যই শরয়ী শাস্তি দেওয়া হবে এবং যেই মনিব তাকে দেহ বিক্রি করতে বাধ্য করেছে, বিচারক তাকেও উপযুক্ত শাস্তি (তাজির) দেবে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১৭ জুন ২০২৫, /বিকাল ৫:৩০

▎সর্বশেষ

ad