
ডেস্ক নিউজ : জাতীয় প্রেসক্লাবে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি আয়োজিত ‘চট্টগ্রামে আইনজীবী আলিফ হত্যাকাণ্ড পরবর্তী পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন: পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তাব’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন এই মন্তব্য করেন। আনু মহাম্মদ বলেন, ‘আলিফ হত্যাকাণ্ডে পাইকারি দরে মামলা হচ্ছে। অজ্ঞাতনামা আসামি বাণিজ্য চলছে। হরিজন কলোনি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এর শিকার হচ্ছে। হিন্দু পরিচয়ের কারণে অনেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।’
ভারত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব ঘটনা সেই অপপ্রচারকে শক্তিশালী করছে বলে অভিযোগ করেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, ‘সিসিটিভির ফুটেজ ব্যবহার না করে তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।’গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সব অভিযুক্ত ও আটক ব্যক্তিদের বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
এদিকে, ভিডিও ফুটেজ দেখে সত্যিকারের অপরাধীদের গ্রেফতারের আহ্বান জানিয়ে আইনজীবী ও সংবাদ উপস্থাপক মানজুর আল মতিন বলেন, ‘আইনজীবীদের কাজে বাধা দেয়া চলবে না। সব আসামিকেই আইনজীবী নিয়োগের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি, সবার আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা।’
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘আইনজীবী আলিফ হত্যাকাণ্ডের শুরু থেকে মামলা করা এবং তদন্ত সঠিক পথে এগোচ্ছে না। বরং সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে।’
কিউটিভি/আয়শা/২৯ ডিসেম্বর ২০২৪,/দুপুর ২:২২






