ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মহানবী (সা.)-এর প্রতি যেভাবে ভালোবাসা দেখাবেন

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ - ১০:৪৩:৪৯ পিএম

ডেস্ক নিউজ : রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা মুমিনের ঈমানের দাবি। নবীজি (সা.)-এর প্রতি আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের ভালোবাসা নানাভাবে প্রকাশ পেয়েছে। যেমন—ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত মুসলিম মনীষী শাহ আবদুর রহিম দেহলভি (রহ.) প্রতিবছর রবিউল আউয়াল মাসে কিছু খাবার প্রস্তুত করে মানুষের মধ্যে বিতরণ করতেন। একবার তিনি কোনো খাবার সংগ্রহ করতে পারলেন না।

নবীজি (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ এবং তার জন্য ইসালে সাওয়াবের সহজ পদ্ধতি হলো গোপনে সাধ্যানুযায়ী কিছু দান করা। রবিউল আউয়াল মাসে ৫০ টাকা (অথবা সামর্থ্য অনুসারে অন্য কোনো পরিমাণ) দান করুন এবং তা গোপনে করুন। প্রয়োজনে এক টাকা করে একেকজন মিসকিনকে দান করুন।

এটা রাসুলে আকরাম (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের একটি সত্যিকার মাধ্যম। তবে আমার আশঙ্কা—এটা অনেকেই পছন্দ করবে না, অন্তরেও তা মানবে না। অন্তর কুমন্ত্রণা দিয়ে বলবে—ভাই, ৫০ টাকা খরচ করলে, অথচ কেউ তা জানতে পারল না!

মহানবী (সা.)-এর আনুগত্য ছাড়া শুধু তার প্রতি ভালোবাসা পরকালে কোনো কাজে আসবে না। বিশেষত ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ যখন মানুষের প্রথা-প্রচলনে পরিণত। আমি কানপুরে থাকতে এক ব্যক্তি এসে মিলাদ পাঠের জন্য আমাকে দাওয়াত করল। আমি যথাসময়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম ও সিরাত বিষয়ে আলোচনা করে এলাম। পরের দিন জানতে পারলাম, একই মঞ্চে নাচ-গানের অনুষ্ঠান হয়েছে।

শুনে আমি অত্যন্ত ব্যথিত হলাম। অনুসন্ধান করে জানা গেল, সেই বাড়িতে মূলত বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। বাড়িওয়ালার উদ্দেশ্য ছিল নাচ-গানের আয়োজন করা। কিন্তু কিছু দ্বিনদার বন্ধু ও আত্মীয়র অনুরোধে মিলাদের আয়োজন করা হয়। এই মিলাদের পেছনে কোনো ভালোবাসা ছিল না, এটা ছিল নিছক আনুষ্ঠানিকতা। এর কোনো উপকার বা ভালো ফল আশা করা যায় না। আল্লাহর শাস্তির ভয় অন্তরে না থাকলে এমন আনুষ্ঠানিকতাই বা মানুষের কী কাজে আসবে? আল্লাহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন। আমিন।

মাওয়ায়েজে আশরাফিয়া থেকে মুফতি আবদুল্লাহ নুরের ভাষান্তর

 

 

কিউটিভ/আয়শা/১৫ ডিসেম্বর ২০২৪,/রাত ১০:৪০

▎সর্বশেষ

ad