
ডেস্ক নিউজ : জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মেন’স রাইটস ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে নিকাহ নামার ৫নং কলামের কুমারী শব্দটি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং কুমারী বাণিজ্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ মে) সকাল ১০টায় উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রখেন বাংলাদেশ মেস সংঘের মহাসচিব আয়াতুল্লাহ আকতার।
ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, ধর্ষিতা মেয়েকে বিয়ে করে ভয়ংকর প্রতারণার ফাঁদে পড়েছি। আমি হেলাল উদ্দিন, পিতা মৃত শেখ সামছুদ্দীন, সাং মধুরচর, পোস্ট মেঘুলা থানা, দোহার, ঢাকা। আমি আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি এক বুক কষ্ট নিয়ে, সেটা হচ্ছে বিগত ২৬/০৭/২০২৩ইং তারিখে আমি আমার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেই এই যে, ধর্ষিতা একটি মেয়ে খুঁজছি অন্য অন্য সাইটগুলো পছন্দ হলে বিয়ে করতে রাজি আছি। অতপর আমার শাশুড়ি শাহনাজ বেগম আমার বাড়িতে ঘটক পাঠিয়ে কৌশলে আমাকে তাদের বাড়িতে এনে তার মেয়েকে দেখিয়ে বলেন আমার মেয়েটা ধর্ষিত, নির্যাতিত শুধু তাই নয় আমার মেয়ের মাথার চুল গুলো কেটে দিয়েছে ঐ ধর্ষক ছেলে, তখন তার মাথার চুল এক বিগত ছোট ছিল।
ইচ্ছে করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে তাকে জেল খাটাতে পারতাম শুধু মাত্র ইজ্জতের ভয়ে থেমে গেছি চুপ হয়ে আছি, আমি মনে মনে বলি যে রকম খুঁজতাছি ঠিক ঐ রকমই পেয়ে গেছি আলহামদুলিল্লাহ। এখানেই শেষ নয় আরও বললেন আমার মেয়েটাকে এখন কে বিয়ে করবে, মেয়ে নিয়ে খুবই চিন্তিত, এদিকে মেয়ের চাচারা, নানা নানী ও দাদী খুবই বেশী প্রশংসা করলেন। বললেন আমাদের ভাতিজি+নাতি এতো, এতো এতোই ভালো যে এই বাড়ির থেকে বের হয় না।
ও কখনোই আমাদের কথা অভারটেক করে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। অতপর বিগত ২২/০৯/২০২৩ইং তারিখে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। বিয়ে পরবর্তীতে তখনই জানতে পারি যে ঐ ছেলে ধর্ষক নয় সে তার স্বামী ছিল ঐ স্বামই তার মাথার চুল গুলো কেটে দিয়েছে এবং ঐ ঘরে তার একটি সাত মাসের কন্যা সন্তান রয়েছে। অতপর বউ বাচ্চা নিয়ে বাড়িতে চলে গেলাম। বিবাহের আড়াই তিন মাসের মধ্যে আমার শাশুড়ি তার বিশেষ প্রয়োজন দেখিয়ে আমার থেকে ক্যাশ বিকাশ ও তার নিজ ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নেয়।
কিউটিভি/আয়শা/২৯ মে ২০২৪,/বিকাল ৫:২৩





