ব্রেকিং নিউজ
হরমুজ ইস্যুতে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের গাবতলী হাটে গরুর দামে ধস, অবিক্রিত পশু নিয়ে বিপাকে ব্যাপারীরা জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির ঈদ শুভেচ্ছা কেনিয়ায় স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৭৪ আদ্‌-দ্বীনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঈদের দিন গোপালগঞ্জের সড়কে ঝরল ৫ প্রাণ কারাগারে ঈদ: নতুন পাঞ্জাবিতে সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা, থাকছে গরু-খাসি-রোস্ট ইউক্রেন যুদ্ধে ৫ লাখ রুশ সেনা নিহত বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

অভাব-অনটনে কোরআনের কোন সুরা পড়বেন

Ayesha Siddika | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৩ - ০৮:৩৯:০৭ পিএম

ডেস্ক নিউজ : পবিত্র কোরআনের ৫৬ নম্বর সুরা আল-ওয়াকিয়া। মক্কায় নাজিল হওয়া এই সুরায় মহান আল্লাহর অনন্ত-অসীম ক্ষমতার বিবরণ স্থান পেয়েছে। কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার বর্ণনা, মৃত্যুর পর পুনরুত্থান বিষয়ে সন্দেহ পোষণকারীদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হয়েছে। হাশরের ময়দানের ভয়াবহতা, অগ্রবর্তী দলের পরিচয়, ডান-বাঁ দিকের লোকদের অবস্থান, আমল অনুযায়ী নিয়ামত ও আজাব ভোগের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

সুরা ওয়াকিয়ার ফজিলত

হাদিস-তাফসিরের গ্রন্থসমূহে সুরা ওয়াকিয়ার বিভিন্ন ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সুরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াত করবে তার ওপর অভাব আসবে না। (বায়হাকি, হাদিস : ২৪৯৭, তাফসিরে রুহুল মাআনি : ২/১২৮)সুরা ওয়াকিয়া কখন পড়তে হয়

দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সকাল-সন্ধ্যা খুব গুরুত্বপূর্ণ দুটি সময়। মহান আল্লাহ এ দুই সময়ে জিকির করার নির্দেশ দিয়েছেন। মাগরিবের নামাজের পর সুরা ওয়াকিয়া পাঠ করার অভিমত ব্যক্ত করেছেন ইসলামী স্কলাররা।

সুরা ওয়াকিয়া পাঠের বিশেষ একটি শিক্ষা পাওয়া যায় আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-এর সঙ্গে আমিরুল মুমিনিনের বিশেষ কথোপকথন থেকে। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) যখন অন্তিম শয্যায় শায়িত ছিলেন তখন ওসমান (রা.) তাঁকে দেখতে গিয়ে বলেন, আপনার অসুখটা কী? ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, আমার পাপ আমার অসুখ। ওসমান (রা.) বলেন, আপনার বাসনা কী? তিনি বলেন, আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি। তিনি বলেন, আমি সরকারি বায়তুল মাল থেকে কোনো উপঢৌকনের ব্যবস্থা করে দেব, যা আপনার এবং আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে? ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, এর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি আমার কন্যাদের সুরা ওয়াকিয়া শিক্ষা দিয়েছি।

আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সুরা ওয়াকিয়া পাঠ করে, অভাব তাকে কখনো স্পর্শ করবে না। (তাফসিরে জালালাইন আরবি-বাংলা : ৬/৩৫৩)

মহান আল্লাহ সবাইকে এই সুরা নিয়মিত পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।‌

লেখক : আলেম ও কবি

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২২ অক্টোবর ২০২৩,/রাত ৮:৩৩

▎সর্বশেষ

ad