ব্রেকিং নিউজ
যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য : মির্জা ফখরুল শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সওয়াল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর সেনা হেফাজতে এক সপ্তাহে বিশ্বে তেলের দাম বাড়ল ১২ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করতে চীনের নতুন ‘এআই জোট’ দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

এবছরে কামারপল্লীতে কাজের চাপ অনেকটা কম

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৩ জুন ২০২৩ - ০৪:০৫:৫৭ পিএম
মশিউর রহমান, আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি : পবিত্র ঈদ-উল আজহাকে সামনে রেখে দিন-রাত চলছে বিভিন্ন সরাঞ্জাম তৈরির কাজ। তবে প্রতিবছর কামারপল্লীগুলো হাতুড়ি পেটানোর টুং টাং শব্দে মুখরিত হয়ে থাকলেও। কিন্তু এবছর লোহা, কয়লার দাম বেশিসহ ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে কামারপল্লীতে কাজের চাপ অনেক কম। আর এ কারণে হাসি নেই সাভার ও আশুলিয়া কামার শিল্পীদের মুখে। তবুও ঈদের আগে বিক্রি হবে এই আশায় দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।
সরেজমিনে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়- কামার শিল্পীরা ছুরি, বটি, দা, চাপাতিসহ ধারালো নানা জিনিস বানাতে কাজ করে যাচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই কামার শিল্পীদের কাছে পশু কাটার ছুরি, চাপাতি, দা, বটিসহ নানা জিনিস ক্রয় করে থাকে। আবার কেউ কেউ ঘরে থাকা পুরনো দা, ছুরি ধার করার জন্য আসতো। কিন্তু অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর দোকানে ক্রেতাদের ভিড় অনেকটাই কম। ঈদকে সামনে রেখে তৈরি জিনিসগুলো প্রতিটি দা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ছোট ছুরি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, বটি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাপাতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে। 
প্রতিবছর কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা কয়েক গুণ বাড়তো। এবারের চিত্রটা অন্য রকম। পশু কোরবানির ধারালো অস্ত্র তৈরি করে ক্রেতাদের আশায় বসে আছে কামারীরা। কিন্তু ক্রেতা না থাকায় তাদের ব্যবসা মন্দা যাবে বলে দু:খ প্রকাশ করেন তারা। তারা জানায়, লোহা,কয়লার দাম বেশি, ঘনঘন বিদুৎতের লোডশেডিংয়ের কারণে সঠিক সময়ে বিদুৎ না পাওয়ায় প্রতিনিয়ত গুণতে হচ্ছে লোকসান। সময়মতো বেতন দিতে না পারায় কর্মচারী পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও সাহস নিয়ে ঈদের আগে বিক্রি হবে এই আশায় দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে তারা। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, সরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কামার শিল্পীদের সহযোগীতা দেওয়া হবে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২৩ জুন ২০২৩,/বিকাল ৪:০০

▎সর্বশেষ

ad