
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন উত্তর ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ডের জনগণ। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোয় যোগ দেয়ার পরও ভয়, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী এই দেশটি।
কারণ ফিনল্যান্ডবাসীর এই নিরাপত্তাহীনতার মূলে প্রতিবেশী দেশ রাশিয়া। যে কোন মুহূর্তে রাশিয়া তাদের দেশে হামলা চালাতে পারে বলে ধারণা ফিনল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষের।
নিরাপত্তার খোঁজে গত ৪ এপ্রিল ন্যাটোতে যোগ দেয় ফিনল্যান্ড। আর এই সিদ্ধান্তেই চরম ক্ষুব্ধ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ঘোষণা দিয়েছেন সীমান্ত এলাকায় সামরিক শক্তি জোরদারের। ফিনল্যান্ডকে এর চরম মূল্য দিতে হবে বলেও হুমকি দেয় ক্রেমলিন।
রাশিয়ার সঙ্গে ফিনল্যান্ডের ১ হাজার ৩৪০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। আর এই সীমান্তই ফিনল্যান্ডবাসীর উদ্বেগের সবচেয়ে বড় কারণ। অতীতে রাশিয়া-ফিনল্যান্ডের সীমান্তে কাঠের বেড়া থাকলেও বর্তমানে সীমান্তে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগী হয় দেশটি। সীমান্তে ২০০ কিলোমিটার ১০ ফুট উঁচু কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে তারা।
এছাড়াও জনগণকে বাঁচানোর জন্য রাজধানী হেলসিঙ্কিতে মাটির নিচে “লুকানো শহর” বানানোর চিন্তাও করছে দেশটি। দেশজুড়ে পাঁচ হাজার বোমা শেল্টার ও ৫০ হাজার বাংকার বানিয়েছে ফিনল্যান্ড।
এদিকে, মার্কিন বলয়ে যুক্ত হওয়ার এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ভবিষ্যতে ফিনল্যান্ডের অনুশোচনা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরাও।
এর আগে, ১৯৩৯ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করেছিল। সেই যুদ্ধ চলে প্রায় পাঁচ মাস। তখন ফিনল্যান্ডের বড় একটি অংশ দখল করে নিয়েছিল সোভিয়েত বাহিনী।
কিউটিভি/অনিমা/১০ এপ্রিল ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:১৩






